নিউটাউনে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা-সহ গ্রেপ্তার চার। পুলিশ তদন্তে নেমে সীমান্তবর্তী এলাকা বনগাঁ গোপালনগর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে। টেকনোসিটি থানার পুলিশ বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করেছে। খুনের পর অভিযুক্তরা বাংলাদেশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে প্রাথমিক অনুমান। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার বলি হয়েছিল বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডল। মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল নিউটাউন চত্বর।
রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা এলাকার বালিগরি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। শোনা যায়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর জমি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা ছিল। নির্বাচনে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় পুরনো অশান্তি বিরাট আকার নেয়। অভিযোগ, মঙ্গলবার বিকেলে মধুর উপর চড়াও হয় কমল ও তাঁর দলবল। বেধড়ক মারধর করা হয় বিজেপি কর্মীকে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপরেই প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
দ্রুত ওই ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তদন্তকারীরা বনগাঁর গোপালনগর কল্যাণপুর এলাকায় যান। সেখানেই ভোররাতে তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল ও তাঁর তিন অনুগামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার ছক করছিলেন! সেই কথাই প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে পুলিশ। বুধবারই ধৃতদের আদালতে তোলা হয়। জানা গিয়েছে, কমল মণ্ডল রাজারহাট পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য। তাঁর স্ত্রী চামেলি মণ্ডল এই মুহূর্তে ওই পঞ্চায়েতের সদস্য। খুনের ঘটনা সামনে আসার পরই উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকায়। তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডলের বাড়ি ঘেরাও করে ব্যাপক ভাঙচুরও চলে। এলাকার সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন।
