নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনও রাজনৈতিক সাহায্য নেওয়া যাবে না। নেওয়া যাবে না কোনও সুবিধা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে চলতে হবে। প্রথম দফার ৮ দিন আগে প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও সেক্টর অফিসারদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভোটকর্মীদের সর্বদা নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনও রাজনৈতিক প্রভাব বা সাহায্য গ্রহণ করা যাবে না। কোনও রকম উপহার বা সুবিধা নেওয়াও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোট (West Bengal Assembly Election) শুরুর আগে মক পোল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরীক্ষা করে নিতে হবে। ভোট চলাকালীন কোনও অনিয়ম বা সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ইসিআইনেট অ্যাপের মাধ্যমে তা জানাতে হবে বলেও জানিয়েছে সিইও দপ্তর। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপরও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটকক্ষের অবস্থান, ক্যামেরার ব্যবহার ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এছাড়াও, সেক্টর অফিসারদের ক্ষেত্রেও একাধিক দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, ওয়েবকাস্টিং, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা— সব কিছু খতিয়ে দেখার নির্দেশ রয়েছে। ভোটের দিন নিয়মিত পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুপস্থিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ের ক্ষেত্রেও আলাদা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বাড়িতে গিয়ে ভোট (West Bengal Assembly Election) নেওয়ার সময় পরিচয় যাচাই, গোপনীয়তা রক্ষা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, ভোটের আগে এই বিস্তৃত নির্দেশিকা স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে— কোনও রকম ত্রুটি বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্তরে নজরদারি আরও কড়া করা হচ্ছে।
