রবীন্দ্রজয়ন্তীতে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ। তার আগে রবি স্মরণে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় কবিপ্রণাম অমিত শাহেরও।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, "কবিগুরুর জীবন আমাদের স্বাধীন চিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের প্রেরণা দেয়। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা ও সাহিত্য চিরকাল আমাদের পথপ্রদর্শন ও অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকবে।"
'চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির' পংক্তি উল্লেখ করে কবিপ্রণাম সারেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লেখেন, "তাঁর অমর সৃষ্টি, মানবতাবাদী চিন্তাধারা ও দেশপ্রেম যুগে যুগে আমাদের পথ দেখিয়ে চলেছে।"
এদিকে, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে কবিপ্রণাম করেই আবার রাজ্য-রাজনীতিতে জনতার দরবারে আন্দোলন কর্মসূচিতে ফিরবেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি অরাজনৈতিক সংগঠন তিনটি জায়গায় এই অনুষ্ঠান করার অনুমতি চাইলেও, সূত্রের খবর, অনুমতি মেলেনি। জানা গিয়েছে, নিজের বাড়ির লাগোয়া চত্বরেই শনিবার বিকেলে রবীন্দ্রজয়ন্তী করবেন মমতা। গাইবেন ইন্দ্রনীল সেন, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বহু শিল্পী, তাঁরা মূলত তৃণমূল পরিবারেরই। এরপর পরবর্তী কর্মসূচি গুলি শুরু হবে। সূত্রের খবর, নির্বাচন এবং গণনার পদ্ধতি নিয়ে আইনি এবং রাজনৈতিক প্রচার হলেও শুরুতেই সরাসরি নতুন সরকারের কোনও সমালোচনায় যাবে না তৃণমূল। নতুন সরকার কী করছে, ভোটের আগে বিজেপির দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কি না, এর গতিবিধি দেখেই বক্তব্যের অভিমুখ চূড়ান্ত করবেন নেত্রী। তবে জনগণের ইস্যুতে সব সময়ই সরব থাকবে দল।
আপাতত দলের অগ্রাধিকার নির্বাচনোত্তর হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত দলীয় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো, ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো এবং আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি। দলের পর্যবেক্ষণ, তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে মোট ভোটের যে সামান্য তফাত আছে, তার থেকে বেশি ভোটার বাদ গিয়েছেন এবং ভোট কারচুপিও গণনার দিন আরও বেশি ভোটে অসঙ্গতি হয়েছে। আপাতত এর সব তথ্যপ্রমাণ নিয়ে দলিল-দস্তাবেজ তৈরি করছে তৃণমূল। শুক্রবার কালীঘাটের বাড়িতে নেত্রীর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, রাজীব কুমার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। দফায় দফায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
