বঙ্গে গেরুয়া ইতিহাস! প্রথম বিজেপি সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন লড়াকু নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে তাঁর নাম ঘোষণা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। নিজের নাম শুনে চোখ ছলছল হয়ে ওঠে শুভেন্দুর। ঘোষণার পর বঙ্গবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুর লড়াইকে কুর্নিশ জানালেন শাহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ভবানীপুরবাসীকে আমার বিশেষ ধন্যবাদ এখান থেকে শুভেন্দুদাকে বিজয়ী করার জন্য। মমতাজি, আপনি তো বলতেন যে ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে আপনি। মনে রাখুন, আপনার ঘরে ঢুকেই শুভেন্দুদা আপনাকে হারিয়েছেন।'' উল্লেখ্য, ভবানীপুরের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্র থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার মুুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে গিয়ে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘শুভেন্দুদা অত্যন্ত কঠিন লড়াই করেছেন। নন্দীগ্রামের সঙ্গে সঙ্গে ভবানীপুর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় থেকে তাঁকে হারিয়েছেন। আমি শুভেন্দুদাকে অনেকদিন ধরে চিনি। তৃণমূলে থাকার সময় থেকে তাঁকে জানি। আমরা মনে করি, বাংলায় সুশাসন এবং জনতার সুরক্ষা দিতে তিনিই যোগ্যতম ব্যক্তি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি ছাড়া কারও নামই কেউ প্রস্তাব করেনি। আগামী ৫ বছর তিনি বাংলার জনগণের জন্য ভালোভাবে কাজ করবেন এবং নতুন বাংলা গড়বেন।''
বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের বৈঠকে অমিত শাহ। নিজস্ব ছবি
বছর ছয়েক আগে অমিত শাহর হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের উজ্জ্বল রাজনৈতিক কেরিয়ারের কারণে সেই থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠেছিলেন। একুশ এবং ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলার মাটিতে পদ্ম ফুটিয়ে তোলার গুরুভার তাঁকেই দিয়েছিল দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব। একুশে সফল না হলেও ছাব্বিশে কার্যত গেরুয়া সুনামি হয়েছে রাজ্যে। একুশে বাংলায় ৭৭ জন বিধায়ক সংখ্যা ছাব্বিশে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৭-এ। এত লড়াইয়ের পুরস্কার হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে।
শুক্রবার সেই ঘোষণা করতে গিয়ে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘শুভেন্দুদা অত্যন্ত কঠিন লড়াই করেছেন। নন্দীগ্রামের সঙ্গে সঙ্গে ভবানীপুর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় থেকে তাঁকে হারিয়েছেন। আমি শুভেন্দুদাকে অনেকদিন ধরে চিনি। তৃণমূলে থাকার সময় থেকে তাঁকে জানি। আমরা মনে করি, বাংলায় সুশাসন এবং জনতার সুরক্ষা দিতে তিনিই যোগ্যতম ব্যক্তি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি ছাড়া কারও নামই কেউ প্রস্তাব করেনি। আগামী ৫ বছর তিনি বাংলার জনগণের জন্য ভালোভাবে কাজ করবেন এবং নতুন বাংলা গড়বেন।''
