জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে প্রার্থী বদল করবে তৃণমূল? স্বপ্না বর্মন এবার আর প্রার্থী হতে পারবেন না। আইনি জটিলতায় তাঁর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়া আটকে গেল! তাঁর জায়গায় তৃণমূলের তরফে বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায় প্রার্থী হবেন? সেই জল্পনা উসকে গিয়েছিল। তবে জল্পনার মাঝেই স্বপ্না বর্মনের নির্বাচনী কনভেনার সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছেন। রেলের তরফে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পাওয়া গিয়েছে। স্বপ্নার মনোনয়নপত্র জমা দিতে আর কোনও সমস্যা রইল না। সেই কথা তিনি জানিয়েছেন। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। তবে পরবর্তী সময়ে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের তরফেও একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, স্বপ্না প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দিয়েছিলেন। দলের তরফে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থীও করা হয়। সেই নিয়ে চাঞ্চল্যও ছড়িয়েছিল। ওই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিধায়ক খগেশ্বর রায় এবার টিকিট পাননি। সেই নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশও করেছিলেন তিনি। পরে নেতৃত্বদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্ত হন। স্বপ্নার হয়ে জনসংযোগও শুরু করেন। এদিকে সমস্যায় পড়েন স্বপ্না। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে তিনি কর্মরত। ভোটে লড়ার জন্য রেলের চাকরি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কর্মক্ষেত্র থেকে স্বপ্না মাসখানেক আগে ছুটি নিয়েছিলেন। রেলের তরফে অভিযোগ, ছুটিতে থাকাকালীন স্বপ্না সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন।
সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দিয়েছিলেন। দলের তরফে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থীও করা হয়। সেই নিয়ে চাঞ্চল্যও ছড়িয়েছিল। ওই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিধায়ক খগেশ্বর রায় এবার টিকিট পাননি। সেই নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশও করেছিলেন তিনি।
শুরু হয় আইনি জটিলতা। সরকারি চাকরি করলে কেউ ভোটে লড়তে পারেন না। তেমন হলে সেটি হবে, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ! ফলে আইনি জটিলতা আরও গভীর হয়। ২০২০ সালের রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের স্টাফ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ইনস্পেকটর হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মন। গত ১৬ মার্চ স্বপ্না বর্মন রেলের চাকরি ছাড়ার জন্য আবেদন জমা করেন। এরই মধ্যে গত ৯ মার্চ রাজনৈতিক সভায় যোগ দেওয়ায় স্বপ্নার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনে রেল। ভারতীয় রেলের তরফে ইস্তফা মঞ্জুর করে এনওসি না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
আইনি জটিলতা থাকায় স্বপ্না বর্মন মনোনয়নপত্র জমা এখনও দেননি। আগামী কাল, সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই পরিস্থিতিতে কী হবে? স্বপ্না কি মনোনয়নপত্র জমা দেবেন? সেসব প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এদিন রাতে একটি ভিডিওবার্তা সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন স্বপ্নার নির্বাচনী কনভেনার মুকুলচন্দ্র বৈরাগ্য। তিনি জানিয়েছেন, দুশ্চিন্তা কেটে গিয়েছে। স্বপ্নাকে রেল নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিয়েছে। ফলে নির্বাচনে লড়তে আর কোনও বাধাই থাকল না। আগামী কাল, সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ স্বপ্না রাজগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
