বৃহস্পরতিবার রাজ্যজুড়ে প্রথম দফার ভোটে (West Bengal Assembly Election) তাঁর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। ভোটের দিন এশিয়াড সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মনের (Swapna Barman) আবেদন, তাঁকে ঘরের মেয়ে মনে করে রাজগঞ্জবাসী যেন ভোট দেন। পাশাপাশি, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন এশিয়াড সোনাজয়ী।
খেলার দুনিয়ায় ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছেন স্বপ্না। তারপর পিঠে চোটের কারণে তাঁর অ্যাথলেটিক্স কেরিয়ার শেষ হয়ে যায়। ২০২০ সাল থেকে নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলে কর্মরত ছিলেন স্বপ্না। সেখান থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি নেমে পড়েছেন ভোটযুদ্ধে। রেল থেকে স্বপ্নার ইস্তফা নিয়ে বেশ জটিলতাও দেখা গিয়েছিল। তবে সেসব বাধা পেরিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। স্বপ্নার হয়ে নির্বাচনী প্রচার সভা করেছেন তৃণমূলের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজগঞ্জ কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ের ধারা বজায় রাখার দায়িত্ব এখন স্বপ্নার কাঁধে।
প্রথমবার প্রার্থী হয়ে সকাল সকাল ভোট (West Bengal Assembly Election) দিয়েছেন স্বপ্না। পরিবারের সকলকে সঙ্গে নিয়ে বুথে গিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। প্রথমবার প্রার্থী হিসাবে ভোট দিয়ে কেমন লাগছে? স্বপ্নার জবাব, "আমার ভোট দেওয়াটা আমার অধিকার, আমার কর্তব্য। তাই পরিবারের সকলকে নিয়ে এসে ভোট দিয়েছি। খুবই ভালো লাগছে প্রার্থী হিসাবে ভোট দিয়ে। সকলের কাছে অনুরোধ, আপনারাও প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। নিজেদের কর্তব্য পালন করুন।"
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচন বেলা ১১টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। ৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে চার ঘণ্টার মধ্যে। রাজগঞ্জে স্বপ্নার বুথেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে। সেকারণে কমিশন এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। নিজের কেন্দ্র রাজগঞ্জের ভোটারদের কাছে স্বপ্নার আবেদন, "আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমাকে সকলে আশীর্বাদ করবেন। একটাই অনুরোধ করব, সকলে আশেপাশের পরিস্থিতি দেখে তারপরে ভোট দেবেন।" স্বপ্নার সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তাঁর মা। রাজগঞ্জবাসী যেন স্বপ্নাকে আশীর্বাদ করেন, এই প্রার্থনা করছেন তিনি।
