চাকরি থেকে অবসরের পর ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রসে যোগ দেন প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। গতবার জিতেছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থেকে। এবার কেন্দ্র বদল। লড়ছেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্র থেকে। এখন দিন কাটছে প্রচার আর জনসংযোগের ব্যস্ততায়। দৈনিক হাঁটা-ব্যায়াম থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট খাবারের তালিকা, সবই এখন নির্ভর করছে প্রচারের সময়সূচি বা যা পাওয়া যাচ্ছে তার উপর।
দৈনন্দিন রুটিনে বদল
এই ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও তিনি যতটা সম্ভব নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার চেষ্টা করছেন, তবে আগের মতো নিয়ম মেনে চলা আর সম্ভব হচ্ছে না।
ভোটের প্রচারে। ছবি: সংগৃহীত
শরীরচর্চায় ছেদ
বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে প্রতিদিন প্রায় তিন কিলোমিটার হাঁটা এবং প্রায় এক ঘণ্টা শরীরচর্চা ছিল তাঁর নিত্যদিনের অভ্যেস। কিন্তু এখন প্রচারের চাপের কারণে সেই রুটিন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, প্রচারে বেরিয়ে যতটা হাঁটা হচ্ছে, সেটুকুই হচ্ছে। আলাদা করে শরীরচর্চার সময় বের করা যাচ্ছে না।
স্বাস্থ্য পরিস্থিতি
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে তাঁর প্রেশার বা সুগারের কোনও সমস্যা নেই। খাদ্যাভ্যাসে খুব নির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকলেও, সাধারণভাবে খাওয়াদাওয়ার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।
খাবারের পছন্দ ও সীমাবদ্ধতা
খাবারের পছন্দের মধ্যে মাছ তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। তবে প্রচারের ব্যস্ততার কারণে নির্দিষ্ট পছন্দ অনুযায়ী খাবার খাওয়ার সুযোগ কমেছে।
প্রাতঃরাশ
সকালের প্রাতঃরাশে সাধারণত যা পাওয়া যায়, সেটাই খেতে হয়। কখনও পাউরুটি, কলা, আপেল, কাঠবাদাম, আখরোট বা মুড়ি দিয়ে দিনের শুরু হয়।
ছবি: সংগৃহীত
দুপুরের খাবার
দুপুরের খাবারেও এখন আর বাড়ির মতো নির্দিষ্ট ডায়েট অনুসরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বাড়িতে থাকলে তিনি ওটসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাছ ও শাকসবজি খেতেন। বর্তমানে প্রচারের মাঝে কর্মীদের সঙ্গে যা পাওয়া যায়, সেটাই খেতে হচ্ছে। কখনও ডিম-ভাত, কখনও ডাল-সবজি, আবার কখনও মাছ বা অন্যান্য সাধারণ খাবারই দুপুরের প্রধান আহার হয়ে উঠছে।
রাতের খাবার
রাতের খাবারেও একই ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। বাড়িতে থাকলে কার্বোহাইড্রেট ছাড়া নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা মেনে চলা সম্ভব হত, কিন্তু এখন রুটি সঙ্গে কখনও ডাল-সবজি, কখনও চিকেন বা মাছ- যা পাওয়া যায়।
তেষ্টা ও মানসিক চাপ সামলানো
তৃষ্ণা মেটাতে নরমাল জলই ভরসা। আর দিনের শেষে মানসিক চাপ কমাতে পরিচিত বন্ধুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে খোঁজখবর নেওয়া, যা তাঁকে কিছুটা স্বস্তি দেয় এই ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝেও।
