এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বেলেঘাটা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কুণাল ঘোষ। ভোট-প্রচারের ব্যস্ততায় নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা যেমন আছে, তেমনই আছে খাবারের লোভ সামলাতে না পারার সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তি। প্রেশার আর সুগার একটু বেশি, তবু প্রিয় খাবারের টান ছাড়তে পারেন না! অনিয়ম আর ভোটপ্রচারের ব্যস্ততায় কেমন ডায়েট ফলো করছেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)?
শরীরচর্চা: তেমন সম্পর্ক নেই
নিয়ম করে জিম বা এক্সারসাইজ- এসবের সঙ্গে তেমন সম্পর্ক নেই। বরং যেগুলো খেতে ডাক্তাররা বারণ করেন, সেগুলোর প্রতিই আলাদা টান।
প্রচার। ছবি: কুণাল ঘোষের ফেসবুক সৌজন্যে।
প্রেশার ও সুগার: নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা
প্রেশার আর সুগার- দু'টোই একটু বেশি। তাই আপাতত চায়ে চিনি বাদ দিয়েছেন।
খাওয়ার গল্প: লোভ আর ভালোবাসার মিশেল
খাবারের ক্ষেত্রে তিনি একেবারে নির্ভেজাল বাঙালি। মাসে একবার অ্যালেনের চিংড়ির কাটলেট না খেলে নাকি 'হজমেরই সমস্যা' হয়, এ কথা তিনি মজা করেই বলেন। মোকাম্বোর অ্যালাকেভ, ডেকার্স লেনের লেমন চিকেন- এসবও তালিকায় নিয়মিত ঢুকে পড়ে। ঝালমুড়ি থেকে শুরু করে রেস্তরাঁর পদ- সবই সমান প্রিয়। নিজের কথাতেই, 'এগুলো না খেলে নিশ্চিত মরে যাব!'
ব্রেকফাস্ট: সাদামাটা শুরু
দিনের শুরুটা তুলনামূলক হালকা। টোস্ট, ডিম আর শশা।
জনতার মাঝে। ছবি: কুণাল ঘোষের ফেসবুক সৌজন্যে।
লাঞ্চ: নিয়ন্ত্রণ বনাম প্রলোভন
ভাত থাকলেও পরিমাণ খুবই কম। সঙ্গে এক টুকরো মাছ, টক দই বা ফল। দু'দিন দারুণভাবে ডায়েট মেনে চলার পর হঠাৎ এক সদস্যের বাড়িতে কষা মাংস-রুটি রান্না হয়, ব্য়স, সব হিসেব ওলটপালট হয়ে গেল!
ডিনার: হালকা রাখার চেষ্টা
রাতে এক পিস রুটি, সবজি আর ডিম- যতটা সম্ভব সহজ আর হালকা খাবার রাখার চেষ্টা।
হাঁটাহাঁটি: রাজনীতির ময়দানেই ফিটনেস
মিছিল, সভা, এলাকায় ঘোরা- এইসবের মধ্যে দিয়েই হাঁটা হয়ে যায় বেশ খানিকটা। তবে সব দিন সমান নয়। কখনও বড় এলাকা কভার করতে হলে ভরসা রাখতে হয় হুডখোলা জিপের উপর। কারণও ফুটবল খেলতে গিয়ে একবার পা ভেঙেছিল, আর কয়েক মাস আগে আরেকটা পা-ও।
কঠোর নিয়মে বাঁধা জীবন নয়, বরং নিয়ম আর খাবারের প্রলোভনের টানাপোড়েনেই গড়া এক বাস্তব ছবি। যেখানে ডায়েট আছে, আবার কষা মাংসের কাছে হার মানার গল্পও আছে।
