ইতিমধ্যেই প্রচারে ঝড় তুলেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কুণাল ঘোষ। এবার বাম ও বিজেপি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। আজ, শনিবার মার্কসবাদী ফরওয়ার্ড ব্লক পার্টির নেত্রী ও বিজেপির বুথে বসা এজেন্ট তৃণমূলে যোগদান করলেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন প্রার্থী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অলকানন্দা দাশের নেতৃত্বে এই দলবদল হয়েছে। ফরওয়ার্ড ব্লকের নমিতা বোস ও বিজেপির বুথ এজেন্ট মামনি দাস এই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।
বেলেঘাটায় প্রার্থী হওয়ার পরই প্রচারে নেমে পড়েছেন কুণাল ঘোষ। এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জনসংযোগের বার্তা দিচ্ছেন তিনি। রাম নবমীতে কলকাতায় সম্প্রীতির শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মধ্য কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির সামনে থেকে রামনবমীর শোভাযাত্রায় বহু মানুষ পা মিলিয়েছিলেন। জোড়াসাঁকোর প্রার্থী বিজয় উপাধ্যায়, আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তীও ছিলেন। ওই মিছিলে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়। কুণাল ঘোষ বলেন, "এটাই বেঙ্গল মডেল, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। কয়েক দিন আগে মুসলিম মহল্লায় গিয়েছিলাম, সিমুই খেয়ে আনন্দ করেছি। আজ মুসলিম সহকর্মীরা রাম নবমীর শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।"
রাজ্যজুড়েই তৃণমূল প্রার্থীরা প্রচারে নেমে পড়েছেন। বেলেঘাটায় প্রার্থী ঘোষণার পরদিনই কুণাল ঘোষ প্রচারে নেমে পড়েন। জনসংযোগের পাশাপাশি দেওয়ালও লেখেন কুণাল। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকার কাউন্সিলর-সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রতিদিনই প্রচার-জনসংযোগে বেরচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কুণাল ঘোষের সমর্থনে প্রচারের প্রস্তুতি বৈঠক হয়। সাংসদের বাড়িতে চা চক্র চলে। সেখানে কুণাল ঘোষ-সহ উপস্থিত ছিলেন জীবন সাহা, স্বপন সমাদ্দার, পবিত্র বিশ্বাস, অলোক দাস, আশুতোষ দাস, ইকবাল আমেদ, অলোকানন্দা দাস, পাপিয়া ঘোষ, শচীন সিং, অয়ন চক্রবর্তী।
