মারধর, গণপিটুনি, হত্যা! বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নির্যাতন! বারবার এই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। অথচ বাংলায় এসে পরিযায়ীদের উপর হিংসা নিয়ে কার্যত 'চুপ' কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে বললেন, "বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরাও বাংলা ভাষায় কথা বলেন। আমাদের দৃঢ় সংকল্প অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বার করব।"
বাংলায় অনুপ্রবেশকারী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরব বিজেপি। রোহিঙ্গা, বাংলাদেশিরা বাংলার জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ পদ্ম শিবিরের। কিন্তু স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি বিজেপি, এমনটাই দাবি তৃণমূলের। এই আবহে বাংলাদেশি সন্দেহে বীরভূমের পরিযায়ী শ্রমিক সোনালি খাতুনদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়। একাধিক বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাংলার বলার অপরাধে পরিযায়ীদের মারধর ও হত্যার অভিযোগও উঠেছে।
কলকাতায় বিজেপির 'চার্জশিট' কর্মসূচিতে সেই ইস্যুতে অমিত শাহকে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ আসা অনুপ্রবেশকারীরাও বাংলা ভাষায় কথা বলেন। বাংলার মূল নিবাসীদের কোনও সমস্যা হবে না। তার মানে এই নয়, যে বাংলাদেশিদের এখানে জায়গা দেওয়া হবে। আমাদের দৃঢ় সংকল্প, অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বার করা হবে।" কিন্তু যাঁরা বাংলার 'মূল নিবাসী' অথচ ভিনরাজ্যে বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তাঁদের কী হবে? সেই বিষয় কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ।
কলকাতায় বিজেপির 'চার্জশিট' কর্মসূচিতে সেই ইস্যুতে অমিত শাহকে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ আসা অনুপ্রবেশকারীরাও বাংলা ভাষায় কথা বলেন। বাংলার মূল নিবাসীদের কোনও সমস্যা হবে না। তার মানে এই নয়, যে বাংলাদেশিদের এখানে জায়গা দেওয়া হবে। আমাদের দৃঢ় সংকল্প, অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বার করা হবে।" কিন্তু যাঁরা বাংলার 'মূল নিবাসী' অথচ ভিনরাজ্যে বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তাঁদের কী হবে? সেই বিষয়' কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ।
শনিবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ, দুর্নীতি ও জনবিন্যাস পরিবর্তন-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন তিনি। শাহের দাবি, "অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। ওবিসি তালিকায় ৭৫ শতাংশ মুসলমান। তার ফলে বঙ্গবাসী ভয় পাচ্ছে, একসময় তাঁরাই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো।" পালটা দিয়ে তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারে দিকে আঙুল তোলার আগে তাঁর উন্নয়নের কাজ দেখুন। আর নিজেদের দেখুন, আপনাদের কোনও রাজ্যে এত কাজের একাংশও হয়েছে কি?"
