ভোট ঘোষণার রাতেই ঝরল রক্ত। কোচবিহারের দিনহাটায় তুমুল অশান্তি। বিজেপি নেতা-কর্মীদের ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে জখম তৃণমূল যুবনেতা। তিনি বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দিনহাটা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
জখম দিনহাটার ভিলেজ-টু গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৭৭ নম্বর বুথের যুব তৃণমূল সভাপতি সায়ন চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, রবিবার সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বিজেপি নেতা-কর্মীরা তাঁর উপর তরোয়াল নিয়ে হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল নেতা। তাঁকে উদ্ধার করে কোচবিহারের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন যুবনেতা। তৃণমূল নেতা বলেন, "সন্ধ্যায় কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় ভিলেজ ১-এর অঞ্চল সভাপতি পরিমল বর্মনের ভাই প্রদীপ বর্মন এবং অঞ্চল কনভেনার দীপেন চক্রবর্তীর শ্যালক আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করেছে। তরোয়াল দিয়ে আমার উপর হামলা করা হয়। আমার যদি কিছু হয় ওরাই দায়ী থাকবে।" যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দিনহাটা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। দিল্লির বিজ্ঞানভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়, বাংলায় দু'দফায় হবে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ভোটগণনা ৪ মে। এদিনও বারবার হিংসামুক্ত ভোটের পক্ষে সওয়াল করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি জানান, ছাব্বিশের নির্বাচন রক্তপাতহীন, হিংসামুক্ত করাই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। সমস্ত ভোটকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেও সে নির্দেশই দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। অথচ ভোট ঘোষণার রাতেই অশান্তির ঘটনা। স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চাপানউতোর। নির্বাচনের দিনগুলিতে শান্তি বজায় রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের।
