নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বরানগরের মাটি। কখনও বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের প্রচারে বাধা, কখনও বহিরাগত এনে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ ভেস্তে দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠেছে। ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবিরকে একে অপরের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হতে দেখা গিয়েছিল। এবার সেই প্রচার যুদ্ধ চলে এল সোশাল মিডিয়াতেও। অভিযোগ, সায়ন্তিকার নামে ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইল খুলে তৃণমূল কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতানোর চেষ্টা চলছে। এবিষয়ে সায়ন্তিকা সরাসরি বিজেপির আইটি সেলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তাঁর কথায়, ''অসভ্য, বর্বর বিজেপি জিততে পারবে না জেনেই এই অসভ্যতা করছে।''
সায়ন্তিকার নামে ফেসবুকে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে সেখান থেকে দলীয় কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। নানা আপত্তিকর প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। এই বিষয়টি প্রার্থীর নজরে আসামাত্রই তিনি সরাসরি বিজেপির আইটি সেলের দিকে আঙুল তুলেছেন।
২০২৪ সালের উপনির্বাচনে জিতে বরানগরের বিধায়ক হয়েছিলেন টলি অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই থেকেই তিনি বরানগরবাসীর সঙ্গে যুক্ত। সবসময়ে তাঁকে কাজ এবং জনসংযোগে দেখা যায়। আর সায়ন্তিকার এই পারফরম্যান্সের নিরিখে তাঁকে ছাব্বিশে ফের এখানকার প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আর প্রার্থী হয়েই প্রচারে একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তিনি। দলের কর্মী, সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রাতদিন এক করে এলাকায় জনসংযোগ সারছেন। কোথায় কী সমস্যা আছে, কী কী কাজ করতে হবে, দুয়ারে ঘুরে ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে এসব বিষয় কথা বলছেন।
এরই মাঝে নয়া সমস্যা। সায়ন্তিকার নামে ফেসবুকে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে সেখান থেকে দলীয় কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। নানা আপত্তিকর প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। এই বিষয়টি প্রার্থীর নজরে আসামাত্রই তিনি সরাসরি বিজেপির আইটি সেলের দিকে আঙুল তুলেছেন। সায়ন্তিকার পালটা দাবি, তাঁর একটিই 'ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল'। সেটিই তিনি ব্যবহার করেন। এছাড়া ফেসবুকে অন্য কোনও প্রোফাইল নেই। প্রতিপক্ষ বিজেপি এভাবে তাঁর প্রোফাইল সোশাল মিডিয়ায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে চক্রান্ত করছে। সায়ন্তিকার আরও দাবি, বিজেপি অসভ্য, বর্বরের দল। জনতার রায়ে কখনও জিততে পারবে না, তা জেনেই তৃণমূল প্রার্থীকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে তিনি সাইবার ক্রাইম বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
