shono
Advertisement
Jaipur

মানতের মেহেন্দি পরলেই বিয়ে! জয়পুরের মন্দিরে উপচে পড়ল ভিড়, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি 

মানতের মেহেন্দি পেতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মন্দিরের মেহেন্দ সংগ্রহ করতে এসে অনেকেই ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক মহিলা জ্ঞান হারান। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও।
Published By: Kishore GhoshPosted: 08:45 PM Sep 14, 2026Updated: 08:45 PM Sep 14, 2026

দিল্লির লাড্ডু। যে খেয়েছে তার যেমন জ্বালা, যে খায়নি তার জ্বালাও কম নয়। এই প্রবাদবাক্য সত্যি করে জয়পুরের বিখ্যাত মতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে উপচে পড়ল অবিবহিত পুরুষ ও নারীর ভিড়। এই মন্দিরে মেহন্দি ‘মানত’ করে তা হাতে পরলেই না কি কেল্লা ফতে হয়। এক বছরের মধ্যে সব বাধা ডিঙিয়ে বিয়ে পাকা হবেই। সেই আশায় হাজার হাজার ভক্ত মন্দিরে নিবেদিত বিশেষ মেহন্দি সংগ্রহ করতে আসেন। এর জেরেই মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায় ৩,৫০০ কেজি 'মানতের মেহেন্দি'। সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। মজার সব মন্তব্য ভরে উঠেছে ইনস্টাগ্রামের কমেন্ট বক্স।

Advertisement

'বিউটিফুলজয়পুর' নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয় চমকে দেওয়া ভিডিও। সেখানে দেখা গিয়েছে, দু'টি বিরাট গামলায় করে কালচে সবুজ রঙের দেবতার আশীর্বাদধন্য মেহন্দি বিলানো হচ্ছে জনতার মধ্যে। তা পেতে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। রীতিমতো ভিড়ে ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কা চলছে। মন্দিরের মেহেন্দ সংগ্রহ করতে এসে অনেকে ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েন। একজন মহিলা জ্ঞান হারান বলেও খবর। এরপরেও কিন্তু মেহেন্দি সংগ্রহের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। জানা গিয়েছে, দেবতার আশীর্বাদধন্য মেহন্দি পেতে আগের দিন রাত থেকে মন্দির চত্বরে লাইন দিয়েছিলেন ভক্তেরা। সেই মতো বিপুল পরিমাণ (৩,৫০০ কেজি) মেহেন্দির ব্যবস্থা হলেও তা মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে তা ফুরিয়ে যায়। অনেকেই ব্যর্থ মনোরথ হয়ে ফিরে যান।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানাচ্ছে, এই বিশেষ মেহেন্দির ডাক নাম ‘সিঞ্জারা মেহন্দি’। গণেশ চতুর্থীর কয়েক দিন আগে থেকেই মতি ডুংরি মন্দিরে মেহন্দি উৎসব শুরু হয়। বিবাহ এবং মনোবাঞ্ছা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত জয়পুরের মন্দিরের এই মেহন্দি রীতি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, বিয়েতে বার বার বাধার সম্মুখীন হওয়া ব্যক্তিরা মন্দিরে মেহন্দি অর্পণ করলে কাজ হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, এই মেহেন্দি হাতে পরলে এক বছরের মধ্যেই নাকি বিবাহ-সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে যায়।

বিয়ের আকাঙ্ক্ষায় দেবতার আশীর্বাদধন্য মেহেন্দি পেতে মানুষির পাগলামি দেখে অনেকেই মজার সব মন্তব্য করেছেন। কেউকেউ বলছেন, যত দিন যাচ্ছে, তত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিয়ে করার প্রবণতা কমছে। এই অবস্থায় এমন ভিডিও ইতিবাচক। যদিও কারও কারও মন্তব্য, ইদানীংকালে বিচ্ছেদের পরিমাণও হুড়মুড় করে বাড়ছে। এমনকী আদালতগুলিও এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অতএব, ‘সিঞ্জারা মেহন্দি’ পরে বিয়ে নয় হল। তারপর?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement