বিধানসভায় পেশ হয়েছে রাজ্য বাজেট (West Bengal Budget 2026)। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট। তাই আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। দুপুর ১২টায় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের এই বাজেট ঘিরে রাজ্যবাসীর প্রত্যাশা অনেক। ক্রীড়াক্ষেত্রে কেমন বাজেট বরাদ্দ হয়, সেদিকেও নজর ছিল। বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ক্রীড়ামহল খুশিই হবে।
বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী বলেন, "মানুষ একটা বড় প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছে। রাজ্যের ভাণ্ডারে কতটা টাকা আছে, সেটা ভেবেচিন্তেই, একটা ব্যালান্স করতে হবে।" তাঁর কথায়, "মানুষ যাতে রোজগার করতে পারে, শিল্পের উন্নয়ন হতে পারে, আমাদের লক্ষ্য হবে অর্থনৈতিকভাবে আধুনিক প্রোগ্রেসিভ বাংলা তৈরি করা।" সেখানে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতিতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াক্ষেত্রে বিপুল বরাদ্দ হয়েছে বাজেটে।
ক্রীড়া সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্যে 'খেলো ইন্ডিয়া' কার্যক্রম চালু হবে। থাকবে থ্রি ডি অ্যানিমেনশন কোর্স। তাছাড়াও তৈরি হবে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি। উত্তরবঙ্গে হবে আন্তর্জাতিক মানের ইন্ডোর ও আউটডোর স্টেডিয়াম। বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা। প্রতি বিধানসভা এলাকায় ৫ কোটিতে মিনি ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে। জাতীয় স্তরে অংশ নিলে ক্লাবকে ১ কোটি আর্থিক সহায়তা করা হবে। পদকজয়ীদের চাকরি দেওয়া হবে। পুরস্কারের জন্য বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা।
অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার ক্রীড়াবিদদের আরও বেশি করে তুলে ধরাই এখন রাজ্যের প্রধান লক্ষ্য। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ আগেই বলেছিলেন রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, আধুনিক পরিকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। যাতে বাংলার ছেলেমেয়েরা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। পাশাপাশি খেলো ইন্ডিয়া কার্যক্রম যুক্ত হওয়ায় আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতি হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
