Advertisement
শরীরে সুতোর লেশমাত্র নেই, নিতম্বে গোলাপ! ব্রিটনির নতুন ছবিতে নেটদুনিয়ায় ঝড়
শুধুই কি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা নাকি অন্য কিছু? কেন বারবার এমন নগ্ন ছবি শেয়ার করেন ব্রিটনি?
গানে, নাচে এবং রূপে। খুব অল্প বয়সেই গোটা দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তাঁর অ্যালবাম মুক্তি পেলেই চার্ট বাস্টারের শীর্ষে চলে যেত। মাঝেমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় নিজের নাচের ভিডিও পোস্ট করেন ব্রিটনি। ফের সোশাল মিডিয়ায় ব্রিটনি ঝড়।
পপসম্রাজ্ঞী ইনস্টাগ্রামে তাঁর নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। যে ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর শরীরে পোশাকের লেশমাত্র নেই। হাত দিয়ে ঢাকা তাঁর স্তন। সমুদ্রের পাড়ে বালিতে পা ছুঁইয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ব্রিটনি। অগোছালো হাতে বাঁধা চুল। একগাল হাসি।
নিতম্বে একটি গোলাপের ইমোজি। যা যেন আলাদা করে নজর কাড়ছে সকলের। সম্ভবত সোশাল মিডিয়ার বিধি যাতে কোনওভাবেই না লঙ্ঘন হয়, সে কারণেই যে ওই গোলাপের ইমোজি, তা বুঝতে বাকি নেই কারও। তবে এই ছবির ক্যাপশনে কিছুই লেখেননি ব্রিটনি।
পিপল ম্য়াগাজিনের দাবি, এই প্রথমবার নয়। এর আগেও ইনস্টাগ্রামে এমন ছবি শেয়ার করেছেন ব্রিটনি। গত আগস্টে তিনি এমনই একটি পোশাকবিহীন ছবি শেয়ার করে সাড়া জাগিয়েছিলেন।
যে ছবিটিতে তাঁকে একটি বড় জানলার সামনে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরনে শুধুমাত্র কালো নি-হাই বুট। ঊর্ধ্বাঙ্গ একেবারেই অনাবৃত। ওই ছবিতেও নিতম্ব ঢাকতে একটি গোলাপের ইমোজি ব্যবহার করেন ব্রিটনি।
শুধুই কি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা নাকি অন্য কিছু? কেন বারবার এমন নগ্ন ছবি শেয়ার করেন ব্রিটনি? গত ২০২৩ সালে অবশ্য কারণ স্পষ্ট করেন পপসম্রাজ্ঞী। ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে মূল কারণ হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি।
ব্রিটনি বলেন, "আমি জানি অনেকেই বুঝবেন না কেন নিজের নগ্ন ছবি তুলি। এবং সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করি। কিন্তু তাঁরা যদি এভাবেই নগ্ন ছবি তোলেন একইরকম মজা পাবেন। ঠিক যেমন নিজের চেহারা সকলের সামনে তুলে ধরে আমি আনন্দ পাই।"
১৯৮১ সালের ২ ডিসেম্বর মিসিসিপিতে জন্ম ব্রিটনির। খুব অল্প বয়সেই গান, নাচ ও রূপে সকলের মন জয় করেন। শিশুশিল্পী হিসেবে মিকি মাউস ক্লাবে যুক্ত হওয়া তার কেরিয়ারের প্রথম বড় পদক্ষেপ। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে আত্মবিশ্বাস। যা পরবর্তী সময়ে তাঁকে করে তোলে অনবদ্য শিল্পী।
তবে জীবনের পথ খুব মসৃণ নয় ব্রিটনির। ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন, অসুস্থতায় বারবার ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে আদালতের রায়ে কার্যত বন্দিজীবন কাটাতে হয় তাঁকে। সেই সময় অবশ্য #freebritney আন্দোলন শুরু হয়। আইনি জটিলতা শেষে ২০২১ সালে অবশ্য জীবনের অধিকার ফিরে পান।
Published By: Sayani SenPosted: 11:14 AM Feb 22, 2026Updated: 11:30 AM Feb 22, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
