Advertisement
পূর্বজন্মের পাপ-পূণ্যের হিসেব লুকিয়ে আপনার জন্মতারিখেই! জানুন কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব
জীবন মানেই সংখ্যার খেলা। পূর্ব জন্ম কেমন ছিল, আগামী দিন কেমন হবে, সবটারই একটা স্পষ্ট আভাস দিতে পারে সংখ্যা, অর্থাৎ আপনার জন্ম সংখ্যা। বলে দিতে পারে, কোন পথে এগোলে আপনার উন্নতি অনিবার্য। কিন্তু জানেন কি কোন তারিখে আপনার জন্ম হচ্ছে তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পূর্বজন্মের যোগ। চলুন জেনে নেওয়া যাক জন্ম সংখ্যা অনুযায়ী পূর্বজন্মে কেমন মানুষ ছিলেন আপনি।
যারা ১ জন্ম সংখ্যার জাতক অর্থাৎ জন্মতারিখ ১, ১০, ১৯, ২৮- এরা নাকি পূর্বজন্মে নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছাকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু অন্যের জন্য কাজ করেছেন। অন্যের ভালো চেয়েছেন। তাই এজন্মে প্রকৃতি আপনাকে উজার করে দিতে তৈরি।
২ জন্মসংখ্যার জাতক অর্থাৎ যাদের জন্মদিন ১, ১১, ২০, ২৯ তারিখ তাঁরা নাকি পূর্বজন্মে যে কোনও মূল্য সমস্ত জাগতিক সুখ লাভ করতে চেয়েছেন। সময় ও সুযোগকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজে লাগালেও আত্মা পরিতুষ্ট হয় না। এজন্মে ২ সংখ্যার জাতক হওয়ার কারণ হল জাগতিক বিষয় বস্তু ছেড়ে আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে অন্যরকমভাবে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।
৩ জন্ম সংখ্যার জাতক অর্থাৎ ৩, ১২, ২১ তারিখের জাতকদের পূর্ব জন্ম ছিল বেশ কঠিন। যে সুখ গতজন্মে পাননি, এজন্মে তা পান এরা। এরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী প্রকৃতির হয়।
৪ জন্মসংখ্যার জাতক অর্থাৎ ৪, ১৩, ২২, ৩১ তারিখে যাদের জন্ম তাঁরা পূর্ব জন্মে সুখী ছিলেন না। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি পরিবারের প্রতি। এজন্মে এদের কাঁধে থাকে প্রচুর দায়িত্ব। তবে এরা অত্যন্ত তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন হন।
যারা পূর্ব জন্মে অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেননি, নিজের স্বার্থে অন্যকে ব্যবহার করেছেন, তাঁদের জন্ম হয় ৫, ১৪, ২৩-তারিখে। এজন্মে তাঁদের হাতে সুযোগ দেওয়া হয় অন্যের জন্য ভাবার। অন্যের পাশে দাঁড়ানোর।
যারা পূর্বজন্মে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভুগেছেন, পরিবারের সদস্যদের যত্ন নিতে পারেনি তাঁদের জন্ম হয় ৬, ১৫, ২৪ তারিখে। এই জন্মে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের যত্ন নেওয়ার সুযোগ পান এরা।
পূর্বজন্মে যারা প্রতিমুহূর্তে লড়াই করেছেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিতে এগিয়েছেন, এজন্মে তাঁরা ৭ জন্মসংখ্যার জাতক। অর্থাৎ জন্মদিন ৭, ১৬, ২৫ তারিখ। এদের উচ্চ বুদ্ধিমত্তা, রহস্য উদঘাটন ক্ষমতা থাকে। এরা ভীষণভাবে স্বাধীনচেতা মনোভাবের হন।
৮ জন্মসংখ্যার জাতক অর্থাৎ যাদের জন্মতারিখ ৮, ১৭, ২৬ তাঁরা আগের জন্মে সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেননি। তাই এই জন্মে প্রতিমুহূর্তে পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয় এদের।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:31 PM Mar 12, 2026Updated: 06:02 PM Mar 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
