Advertisement
ইনফ্লুয়েন্সার বলে যা খুশি তাই ভিডিও পোস্ট? ক্রিয়েটরদের জন্য জারি একগুচ্ছ কড়া নিয়ম
কড়া নজরদারিতে ইনফ্লুয়েন্সাররা।
সোশাল মিডিয়ার যুগে ইনফ্লুয়েন্সারদের ছড়াছড়ি। ফেসবুক ইউটিউব খুললেই দেখা যায়, সকলেই কিছু না কিছু নিয়ে বলছে। কেউ রাজনৈতিক মতামত রাখছে, কেউ হোটেল-রেস্তরাঁর ভিডিও আপলোড করছে, কেউ আবার অন্য কিছু। স্রেফ হাতে একটা ঠিকঠাক ক্যামেরা থাকলেই কেল্লাফতে।
এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই বহু ভুয়ো তথ্যও ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে সমাজ জীবনে। কিন্তু জানেন কি বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে যারা কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণ করে ইনফ্লুয়েন্সারদের। চাইলেই যে কোনও ইস্যুতে ভিডিও করতে পারে না তাঁরা।
মূলত পাঁচটি দেশে কড়া নিয়ম রয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্য। সেগুলো হল চিন, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও ফ্রান্স।
চিনে ইনফ্লুয়েন্সারদের এমন কোনও বিষয়ে কথা বলার অনুমতি নেই, যেগুলো সম্পর্কে তাঁরা বিশেষ জানেন না বা দক্ষতার অভাব রয়েছে। সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হলে উপযুক্ত যোগ্যতা থাকা বাধ্যমূলক সে দেশে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল ভুল তথ্য ছড়ানো বন্ধ করা।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্সেস করার অনুমতি নেই। দেশটিতে নিষিদ্ধ শিশু ইনফ্লুয়েন্সাররা। এর উদ্দেশ্য একটাই, ক্ষতিকারক অনলাইন সামগ্রীর সংস্পর্শ থেকে তাদের দূরে রাখা।
ফ্রান্সে ফ্যাশন, ডায়েট পণ্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রসাধনী সামগ্রীর প্রচার করার অনুমতি নেই ইনফ্লুন্সারদের। দেশবাসীর স্বার্থেই এহেন পদক্ষেপ করেছে সে দেশের প্রশাসন।
নেদারল্যান্ডস অনলাইন জুয়ার প্রচারে অনুমতি নেই ইনফ্লুয়েন্সারদের। কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং বেটিং অপারেটরদের মধ্যে অংশীদারিত্ব অবৈধ, এটি দর্শকদের জন্য ক্ষতিকর, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ প্রশাসনের।
স্পেনের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা শুরু করেছে ইনফ্লুয়েন্সারদের। 'সেলফি-ট্যুরিজম' স্থানীয় পরিবেশের ক্ষতি করে, বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয় বলেই এই সিদ্ধান্ত।
প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফও এই মতে সায় দিয়েছেন। "আমার মতে সঞ্জু সেরা বিকল্প। খেলোয়াড় তখনই সফল অধিনায়ক হতে পারে, যখন তার সঙ্গে প্রত্যেকের ভালো বোঝাপড়া গড়ে ওঠে। তাছাড়াও কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো হতে হয়।"
তাছাড়াও এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল। তিনিও হতে পারেন অধিনায়ক। দলে রয়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তিনি যোগ্য দাবিদার। যদিও আপাতত জুন পর্যন্ত কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ নেই। আইপিএলের উপরেই ফোকাস করবেন ক্রিকেটাররা। হয়তো এর মধ্যেই ভিতর ভিতর পরিকল্পনা সেরে নেবেন গম্ভীর-আগরকররা।
একটা বছর আগে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। কিন্তু দেশকে আইসিসি ট্রফি দেওয়ার ঠিক পরের টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল হিটম্যান। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজে রোহিতকে সরিয়ে নেতৃত্বের রাজপাট দেওয়া হয়েছিল শুভমান গিলকে। এমন নজির ভারতীয় ক্রিকেটে বিরল। এবার সূর্যকুমারকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তাই অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 08:27 PM Mar 11, 2026Updated: 02:07 PM Mar 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
