Advertisement
টপ অর্ডারে অতি নির্ভরতা, পরীক্ষার মুখে গিলের নেতৃত্বও, একনজরে গুজরাটের শক্তি-দুর্বলতা
৩১ মার্চ পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে গুজরাট।
আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ২৮ মার্চ থেকে শুরু কোটি টাকার লিগ। রিটেনশন-নিলামের পর কেমন হল কোন দল? কারা বেশি শক্তিশালী? একনজরে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির শক্তি বা দুর্বলতা। আজ গুজরাট টাইটান্স।
প্রথম দুই মরশুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিল গুজরাট। অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল হার্দিক পাণ্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন গুজরাট। তার পরের বার রানার্স। কিন্তু তৃতীয় মরশুমে শুভমান গিলের নেতৃত্বে আট নম্বরে শেষ করেছিল তারা। তবে গত বার প্লে-অফ খেলেছে গুজরাট। এবারও নেতৃত্বের দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই। ৩১ মার্চ পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে গুজরাট।
গুজরাত টাইটান্স: শুভমান গিল (অধিনায়ক), সাই সুদর্শন, কুমার কুশাগ্র, অনুজ রাওয়াত, জস বাটলার, নিশান্ত সিন্ধু, ওয়াশিংটন সুন্দর, গ্লেন ফিলিপস, আরশাদ খান, শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া, কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ইশান্ত শর্মা, গুরনুর সিং ব্রার, রশিদ খান, মানব সুতার, সাই কিশোর, জয়ন্ত যাদব, অশোক শর্মা, জেসন হোল্ডার, টম বেন্টন, পৃথ্বী রাজ ইয়ারা, লুক উড।
শক্তি ১: গুজরাটের টপ তিন ব্যাটার খুবই শক্তিশালী। গিল ও সুদর্শন ছন্দে থাকলে প্রতিপক্ষের ঘুম ছুটিয়ে দিতে পারেন। ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন বাটলারও। গত মরশুমে এই ত্রয়ীর সম্মিলিত গড় ছিল ৫৫.০৫। যা দলের ব্যাটিংকে চালনা করেছিল। ওপেনিংয়ে গিল-সুদর্শন সাতটি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়েন। যার মধ্যে তিনটি ছিল শতরানের জুটি।
শক্তি ২: ফিল্ডিংয়ে গ্লেন ফিলিপসকে একাই একশো বলাই যায়। ব্যাটিং-বোলিং দু'টোতেই পারদর্শী তিনি। ওয়াশিংটন সুন্দরকে দলে থাকায় অলরাউন্ডারের সমস্যা মিটবে। বলা যায়, তাঁদের স্পিন বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। রশিদ খানকে সামলাতে কালঘাম ছুটবে যে কোনও ক্রিকেটারের। তবে আফগানি স্পিনারের সাম্প্রতিক ফর্ম ভালো নয়। রশিদের সঙ্গে রয়েছেন রাহুল তেওয়াটিয়াও।
শক্তি ৩: গুজরাট টাইটান্সের পেস আক্রমণ মন্দ নয়। কাগিসো রাবাডার সঙ্গে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তছাড়াও দলে রয়েছে জেসন হোল্ডারের মতো তারকা। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে আশিস নেহরার টিমকে ভরসা জোগাতে পারেন। লোয়ার অর্ডারে রাহুল তেওয়াটিয়ার ব্যাটিং গুজরাটের জন্য বড় সম্পদ।
দুর্বলতা ১: গুজরাট টাইটান্সের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা মিডল অর্ডার। শেরফেন রাদারফোর্ডের বিদায়ে চার নম্বরে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। গ্লেন ফিলিপস সেই জায়গা নিতে পারেন। তবে প্রথম একাদশে নিশ্চিত নন তিনি। শাহরুখ খানও ধারাবাহিকতার অভাবে ভোগেন। ফলে চাপ বাড়ছে টপ অর্ডারের উপর।
দুর্বলতা ২: দক্ষ ফিনিশারের অভাবে ভুগতে পারে গুজরাট। রাহুল তেওয়াটিয়া অতীতে অনেক ম্যাচের বৈতরণী পার করেছেন। তবে একার উপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। শেষ দিকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হতে পারে ওয়াশিংটন এবং রশিদ খানকে। তবে মিডল ও লোয়ার অর্ডার ভেঙে পড়লে পস্তাতে হবে গিলদের।
দুর্বলতা ৩: এবারের আইপিএল শুভমানের জন্য বড় সুযোগ। নজর থাকবে তাঁর নেতৃত্বের দিকে। ব্যাটার হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করলেও, নেতৃত্বে ধারাবাহিক সাফল্য এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছিলেন। নতুন মরশুমে বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে তাঁকে। তবে আইপিএলে সফল হলে সূর্যকুমার যাদবের পর ভারতের ভবিষ্যৎ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসাবে তাঁর জমি আরও শক্ত হবে।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 07:34 PM Mar 27, 2026Updated: 10:23 PM Mar 27, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
