Advertisement
শুধু ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেই হবে না, চুমু নিয়ে অজানা তথ্য না জানলে প্রেমই মাটি
প্রেমের ভিজে ভিজে প্রথম চুমুর শুরুর মুহূর্ত থেকে শেষের মধ্যে লেখা হয়ে যায় নাবালক থেকে সাবালক হয়ে ওঠার আখ্যান।
প্রেমের প্রথম স্পর্শ চুমুই। এই চুমুর গভীরতাতেই লুকিয়ে থাকে মনের গভীরে থাকা প্রেম। প্রেমের ভিজে ভিজে প্রথম চুমুর শুরুর মুহূর্ত থেকে শেষের মধ্যে লেখা হয়ে যায় নাবালক থেকে সাবালক হয়ে ওঠার আখ্যান।
ইতিহাস বলছে, ১৪৩৯ সালে ১৬ জুলাই ইংল্যান্ডের তৎকালীন রাজা পঞ্চম হেনরি রোগ ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে চুমুকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। কথিত আছে, এই ঘোষণার পর তাঁর রাজ্যে অরাজকতা দেখা গিয়েছিল। রাজা নিজেও দীর্ঘকাল এরকম নিষেধাজ্ঞা পালন করে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তারপর থেকে চুমুকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয় সে দেশে। জানেন কি, এই চুমুর নেপথ্যে রয়েছে আরও অনেক অজানা গল্প। ১৩ ফেব্রুয়ারি, চুম্বন দিবসের আগে আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই গল্পগুলোই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত দেখা গিয়েছে, বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ মাথা ডানদিকে হেলিয়ে তারপর চুমু খান৷ বিখ্যাত ছবি, ভাস্কর্যে আমরা নায়ক-নায়িকাদেরও এইভাবে চুমু খেতে দেখি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থাতে থেকেই এর সূত্রপাত। একজন শিশু মায়ের গর্ভে ডানদিকে মাথা হেলিয়ে থাকেন।
চুমু খাওয়ার সময় শরীরের মোট ১৪৬টি পেশি কাজ করে। তার মধ্যে ৩৪টা মুখের মাংসপেশি। সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুমু খেলে মুখ ও চিবুকে জমে যাওয়া মেদ ঝরে তাড়াতাড়ি।
এক সমীক্ষা বলছে, একজন সাধারণ মানুষ তাঁর পুরো জীবনের গড়পড়তা ২০ হাজার ১৬০ মিনিট অর্থাৎ দু’সপ্তাহ সময় চুমুর পিছনে ব্যয় করেন। তাতে অবশ্য আখেরে লাভও হয়। কারণ, চুমুর ফলে 'হ্যাপি হরমোন' যেমন অক্সিটোসিন, ডোপামিন, সেরোটিনিন নিঃসরণ হয়। তার ফলে বাড়ে আয়ু।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, মহিলারা নিজের স্বপ্নের পুরুষ খুঁজে পেতে গড়ে ১৫ জন পুরুষকে চুমু খান। যৌন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্টনার পছন্দের জন্য মেয়েরা চুমুর উপর গুরুত্ব দেন সবচেয়ে বেশি। এক্ষেত্রে ঘাড়ই তাঁদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের জায়গা।
চুমু শরীরে পজিটিভ এনার্জির জোগান দেয়। তার ফলে চুমু দিয়ে শুরু হলে দিনটাই হয়ে যায় অন্যরকম। অবসাদ স্পর্শ করা তো দূর। ধারে কাছেও আসতে পারে না ওই ব্যক্তির।
যৌনতার ফলে দু'টি মানুষ একে অপরের শরীরে যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌনতার চেয়ে অনেক গুণ বেশি দাগ কাটে চুম্বন। বহু পুরুষের কাছে নাকি চরমসুখ দেয় দীর্ঘস্থায়ী চুমু। তাই প্রথম চুম্বনের স্মৃতি নাকি ভোলা অসম্ভব।
সঙ্গীর শরীরের কোন জায়গায় কীভাবে চুমু খাচ্ছেন, তার উপরেও নির্ভর করে অনেক কিছু। ঠিক যেমন কপালে আলতো চুমু সম্পর্কের গভীরতা এবং নির্ভরতা বোঝায়। আপনার কপালে প্রিয়জনের চুমু বুঝিয়ে দেয় তার জীবনে আপনি কতটা মূল্যবান এবং আপনাকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করতে উনি বদ্ধপরিকর। কানে চুমু আবার বোঝায় প্রেমের সম্পর্কে আপনি কতটা আবেগপ্রবণ।
Published By: Sayani SenPosted: 03:45 PM Feb 12, 2026Updated: 03:50 PM Feb 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
