Advertisement
পুরাণের ভীষ্ম থেকে আজকের পিঠে-পুলি, মকর সংক্রান্তির বারো কাহনে ধরা থাক মরমী ঐতিহ্য
পুরাণ অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে দেহত্যাগ করলে মোক্ষ লাভ হয়। ভীষ্মদেব শরশয্যায় থেকে এই পবিত্র দিনেরই অপেক্ষা করেছিলেন।
মকর সংক্রান্তির দিন থেকে সূর্য উত্তর গোলার্ধের দিকে যাত্রা শুরু করে। একেই বলা হয় উত্তরায়ণ। দিন বড় হতে থাকে এবং অন্ধকার কমে আলোর প্রকাশ ঘটে। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। ছবি: কৌশিক দত্ত
জ্যোতিষ মতে, সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করলে তা অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য হয়। পুরাণ অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে দেহত্যাগ করলে মোক্ষ লাভ হয়। ভীষ্মদেব শরশয্যায় থেকে এই পবিত্র দিনেরই অপেক্ষা করেছিলেন। ছবি: কৌশিক দত্ত
মকর সংক্রান্তি মানেই গঙ্গাসাগরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম। বিশ্বাস করা হয়, এদিন সাগরে স্নান করলে সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়। ‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’— এই প্রবাদ আজও সমান প্রাসঙ্গিক। ছবি: কৌশিক দত্ত
সূর্যই সকল শক্তির উৎস। সংক্রান্তির সকালে তাম্রপাত্রে জল, লাল ফুল ও চন্দন দিয়ে অর্ঘ্য দান করা হয়। অন্ধকারের বিনাশ ঘটিয়ে সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনায় গৃহস্থরা সূর্য স্তোত্র পাঠ করেন। ছবি: কৌশিক দত্ত
এই পবিত্র দিনে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার রীতি প্রচলিত। গঙ্গাতীরে বা যে কোনও পবিত্র জলাশয়ে পূর্বপুরুষদের জলদান করা হয়। এতে বংশের অমঙ্গল দূর হয় এবং পূর্বপুরুষের আশীর্বাদ লাভ করা যায়। ছবি: অরিজিত সাহা
মকর সংক্রান্তিতে দানের মাহাত্ম্য অনেক। এদিন চাল, ডাল, শীতবস্ত্র এবং তিল দান করা অত্যন্ত শুভ। বিশেষ করে তিল ও গুড় দান করলে শনি ও সূর্যের দোষ কেটে যায় বলে বিশ্বাস করা হয়। ছবি: অরিজিত সাহা
গ্রামাঞ্চলে খড় দিয়ে ‘ভেড়াঘর’ বা ‘মেজি’ বানিয়ে আগুন জ্বালানো হয়। আগুনের তাপে পুরনো জরা ও দুঃখকে পুড়িয়ে নতুনকে স্বাগত জানানো হয়। উত্তর ভারতে এটি ‘লোহরি’ নামে পালিত হয়। ছবি: কৌশিক দত্ত
গঙ্গাস্নান দিয়ে এদিন দিনের শুরু হয়। বাংলার ঘরে ঘরে এদিন পিটুলি দিয়ে আলপনা দেওয়া হয়। ধানের ছড়া ও আমপাতা দিয়ে সাজানো হয় প্রবেশদ্বার। লক্ষ্মীর পা এঁকে ঐশ্বর্যকে ঘরে আহ্বান জানান গৃহিণীরা। এটি কৃষি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছবি: কৌশিক দত্ত
মন্দিরে মন্দিরে এ দিন ভক্তের ঢল নামে। সূর্য পুজো ও শিবের উপাসনা করলে দারুণ ফল পাওয়া যায়। এদিন তিল ও গুড় খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আয়ুর্বেদ মতে, শীতের শেষে শরীরের তাপ ধরে রাখতে তিল সাহায্য করে। আধ্যাত্মিক ভাবে এটি ধৈর্য ও মিষ্টভাষের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। ছবি: কৌশিক দত্ত
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 06:00 PM Jan 14, 2026Updated: 06:05 PM Jan 14, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
