Advertisement
অফিসে ৩০ মিনিটের হস্তমৈথুন বিরতি, সংস্থার সিদ্ধান্তে ক্রমেই তরতাজা হচ্ছেন কর্মীরা!
কোন সংস্থার কর্মীরা পাচ্ছেন এই সুবিধা?
অফিসে বসে হস্তমৈথুনে! নিশ্চয়ই ভাবছেন লুকিয়ে-চুরিয়ে তৃপ্ত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে! নাহ, তা কিন্তু একেবারেই নয়। কর্মীদের নিয়মিত ৩০ মিনিট হস্তমৈথুন বিরতি দেয় একটি সংস্থা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। লক্ষ্য একটাই, কর্মীদের চাপ কমানো।
কাজের ফাঁকে একটু আড্ডা-চা, কফি ছাড়া হয় নাকি! সরকারি হোক বা বেসরকারি সংস্থা, সবক্ষেত্রে কর্মরতদের কাছেই এই ছোট্ট বিরতি স্ট্রেস বাস্টার। প্রবল কাজের চাপে যখন পাগল-পাগল দশা, তখন সহকর্মীর সঙ্গে একটু গসিপ, এককাপ চা এর্নাজি বাড়ায় বইকি!
কর্মীদের এই চাপের কথা মাথায় রেখে কাজে গতি আনতে অদ্ভুত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বার্সেলোনার বিনোদুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থা। কর্মীদের কাজের মান উন্নয়নে একটি অতিরিক্ত বিরতি চালু করেছে সংস্থা।
কর্মীদের ৩০ মিনিটের হস্তমৈথুন বিরতি দিচ্ছে সংস্থা। শুনে অবাক হলেন? এটাই সত্যি। কর্মীদের মানসিক চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা।
যদিও এই বিরতি চালু হয়েছে বেশ করে কয়েকবছর আগে। দ্যা নিউজ মুভমেন্ট সূত্রে খবর, কোভিডকালেই প্রাথমিকভাবে চালু করা হয়েছিল এই বিরতি। সম্ভবত ২০২১ সালের মে মাসে। যা এখনও চলছে।
কিন্তু স্রেফ চাপ কমাতে এমন সিদ্ধান্ত? এবিষয়ে সংস্থার তরফে লাস্ট বলেন, করোনা কালে তিনি দেখেন, কর্মীদের মধ্যে চাপ, উত্তেজনা বেড়েছে, মনোযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এরপরই কীভাবে কর্মীদের চাপ কমানো যায় ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়, তার সমাধানের উপায়ের খোঁজ শুরু করেন তিনি।
দীর্ঘ ভাবনাচিন্তার পর তার মাথায় আসে এই হস্তমৈথুন বিরতির বিষয়টা। যেমন ভাবা তেমন কাজ। অফিসের একটি ঘরকে সাজিয়ে ফেলা হয় 'হস্তমৈথুন স্টেশন' হিসেবে।
সংস্থার মালিকের দাবি, এই বিরতির সুফল মিলেছে একশো শতাংশ। এই ৩০ মিনিটের হস্তমৈথুন বিরতি পাওয়ার পর কর্মীরা অনেক বেশি শান্ত হয়েছেন। কাজের প্রতি একাগ্রতা বেড়েছে। এই বিরতির বিষয়টা জানার পর একাধিক সেক্স টয় প্রস্তুতকারী সংস্থা তাদের পণ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেও চেয়েছে বলে খবর।
২০০৫ সালে প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমার প্রচারে জন্য একটি সংস্থা খোলেন লাস্ট। তাঁর কথায়, এই বিরতি শুধু চাপ কমাতে তা নয়, যৌনতা-হস্তমৈথুন নিয়ে আমজনতার মধ্যে যে ছুঁৎমার্গ রয়েছে তা ভাঙার চেষ্টা। লাস্ট মনে করেন, আত্মসুখ কেবল মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীলতা এবং উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি করে।
কিন্তু ওই বিমান দুর্ঘটনা সবটা বদলে দিল। ছোট ছেলেকে হারিয়ে ধীরে ধীরে বড় ছেলেকে রাজনীতিতে নিয়ে এলেন। ইন্দিরার আকস্মিক মৃত্যুর পর রাজীব গান্ধীই দল ও সরকারের উত্তরাধিকার পান। অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী হতে হয় রাজীবকে। তারপর থেকে দলের ব্যাটন চলে যায় রাজীব পরিবারের হাতে। পরে কংগ্রেসের সভাপতি হন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধীরা। রাজীবের পর সোনিয়ার নেতৃত্বেও সরকার চালিয়েছে কংগ্রেস।
সমস্যা হল, বর্তমানে কংগ্রেসের যে অবক্ষয় সেটা শুরু হয় রাজীবের আমলের শেষের দিকেই। দল দুর্বল হতে থাকে। ধর্মনিরপেক্ষতা হারাতে থাকে। কেন্দ্রীয় স্তরে শক্তিশালী নেতা না থাকায় সংগঠনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারায় শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজীবের মৃত্যুর পর কংগ্রেস ক্রমশ দুর্বলই হয়ে গিয়েছে। সোনিয়া গান্ধী সরকার চালালেও সেটা জোড়াতালি দিয়ে। আর রাহুলের আমলে ক্রমশ ভোটে হেরেই চলেছে কংগ্রেস। এই মুহূর্তে দেশের মাত্র ৩ রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 04:36 PM Jan 29, 2026Updated: 06:12 PM Jan 29, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
