Advertisement
এপস্টেইন ফাইলে শচীন-মেসির নাম! 'কেচ্ছার খাতা' সামনে আসতেই স্তম্ভিত বিশ্ব
আর কোন ক্রীড়াবিদের নাম রয়েছে এই বিতর্কিত ফাইলে?
এপস্টেইন ফাইল। বিতর্কের আরেক নাম। কার্যত গোটা বিশ্বের সামনে তাবড় তাবড় নেতৃত্বের ঘৃণ্য চেহারা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে এপস্টেইন। কুখ্যাত এই যৌন অপরাধীর কুকীর্তির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। এই নথিতে কে নেই? আর সেই ফাইলে আছে লিওনেল মেসি বা শচীন তেণ্ডুলকরের নাম।
গত শুক্রবার আমেরিকার বিচার বিভাগের তরফে এপস্টেইন সংক্রান্ত ৩৫ লক্ষ পাতার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রকাশ করা হয়েছে অন্তত দু’হাজারটি ভিডিও এবং ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। যার ছত্রে ছত্রে রয়েছে ইউরোপের ধনকুবের ও প্রভাবশালী নেতৃত্বদের কেচ্ছা।
এপস্টেইন ফাইলে নাম রয়েছে কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেণ্ডুলকরের। সেখানে ৯ নম্বর ডাটা সেটে লেখা রয়েছে, শচীন তেণ্ডুলকর বিশ্বের অন্যতম প্রশংসিত খেলোয়াড়। বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল দেশ অর্থাৎ ভারতে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ওই ডাটা সেটে আছে লিওনেল মেসির নাম। কিংবদন্তি ফুটবলারের জনপ্রিয়তা নিয়েও কথা বলা হয়েছে। এখানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের তালিকা করা হয়েছে। সেখানে শচীনের নাম পঞ্চম স্থানে। আর মেসিকে রাখা হয়েছে ১৫তম স্থানে।
শুধু ক্রিকেট ও ফুটবলের দুই মহাতারকা নন। এই তালিকায় নাম আছে অন্য দুই খেলার দুই 'গোট'-এর। তার মধ্যে একজন বাস্কেটবলের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মাইকেল জর্ডান। তাঁর প্রসঙ্গ এসেছে বারাক ওবামার থেকে রাষ্ট্রপতি পদক নেওয়ার প্রসঙ্গে।
আরেকজন হলেন গলফের কিংবদন্তি টাইগার উডস। ইমেল তালিকায় তাঁর নাম আছে। অবশ্য টাইগার উডসের ব্যক্তিগত জীবনও যথেষ্ট বিতর্কিত। ২০০৯ সালে প্রকাশ্যে আসে যে একাধিক মহিলার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে টাইগারের। তারপর বিবাহবিচ্ছেদও হয়ে যায়।
এই 'সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত' ক্রীড়াবিদদের মধ্যে নাম আছে ডেভিড বেকহ্যামেরও। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবলার আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মায়ামির মালিক। যে ক্লাবে খেলেন লিওনেল মেসি।
অবশ্য এটাও ঠিক যে, এপস্টেইন ফাইলে নাম থাকলেই তাঁর সঙ্গে কোনও বিতর্ক জড়িয়ে থাকবে, এরকম ব্যাপার নয়। মেসি, শচীন-সহ অনেক ক্রীড়াবিদই আছেন, যাঁদের নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। এঁদের ক্ষেত্রে যেমন নাম রয়েছে জনপ্রিয়তার জন্য।
আবার রয়েছে ক্যাসি ওয়াসেরমানের নাম। ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির প্রধান ক্যাসি। এপস্টেইন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৩ সালে তাঁর প্রেমিকা ছিলেন ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল। যার নাম জড়িয়ে আছে নারীপাচার চক্রের সঙ্গে। এবার ক্যাসির নাম আসতেই তাঁকে অলিম্পিক কমিটি থেকে সরানোর দাবি উঠেছে।
Published By: Arpan DasPosted: 05:12 PM Feb 04, 2026Updated: 05:12 PM Feb 04, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
