Advertisement
এক ম্যাচেই গম্ভীরের ভাগ্য নির্ধারণ! কাকভোরে বিশ্বজয়ী কোচকে ফোনে কী বলেছিলেন জয় শাহ?
বিশ্বকাপ চলাকালীন অনেক ঘটনা, সমস্যা ও বিতর্ক নিয়ে সোজাসাপটা জবাব দিলেন গম্ভীর।
নাইট-মেন্টর থেকে বিশ্বজয়ী কোচ। গৌতম গম্ভীরের কোচিং অধ্যায়ে প্রচুর উত্থানপতন ছিল। কেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গম্ভীর? তৎকালীন বিসিসিআই সচিব জয় শাহর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল? সব নিয়ে মুখ খুললেন ভারতের কোচ।
এএনআই-এর একটি পডকাস্টে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন গম্ভীর। বিশ্বকাপ চলাকালীন অনেক ঘটনা, সমস্যা ও বিতর্ক নিয়ে সোজাসাপটা জবাব দেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে কীর্তি আজাদের মন্দির বিতর্ক। বা ভারতের বিশ্বজয়ের পথে 'টার্নিং পয়েন্ট' কোনটা? কিংবা সোশাল মিডিয়ার কটাক্ষ নিয়ে কী ভাবেন তিনি?
তবে সবার আগে জানা যাক, কীভাবে তিনি কোচ হন। ২০২৪-এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ের পর সরে দাঁড়ান রাহুল দ্রাবিড়। অন্যদিকে গম্ভীর তখন ছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর ভোরবেলা জয় শাহ তাঁকে ফোন করেন। কী কথা হয়েছিল?
গম্ভীর বলছেন, "তিনি বলেন, 'আমি তোমাকে একটা প্রস্তাব দেব, তুমি না করতে পারবে না। তোমাকে ভারতের কোচ হতে হবে।' আমি পুরো চমকে গিয়েছিলাম। ভারতের কোচ হওয়া গর্বের বিষয়।" পরে আরেকবার জয় শাহর ফোনের কথা বলছেন গম্ভীর। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি সিরিজের ম্যাচে হারের পর শাহ তাঁকে ফোন করে শক্ত থাকতে বলেছিলেন।
বিশ্বকাপের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা, সেটাও জানিয়েছেন গম্ভীর। চাপে থাকা অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সঞ্জু স্যামসন ৯৭ রান করেন। ওটাই ভারতীয় দলের মানসিকতা বদলে দেয়। বিপদকালে মাথা ঠান্ডা রেখে টিম ইন্ডিয়াকে জেতান সঞ্জু।
গম্ভীর বলছেন, "আমি কখনও ভাবিনি কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতব। ভারতীয় দলের হেড কোচ হব সেটাও ভাবিনি। তবে ফের ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে ফেরা বা দেশের জন্য কিছু একটা করা সব সময় গর্বের। যখন তোমার মা বলে, 'ভালো কাজ করেছ'। তখন মনে হয় এটার জন্যই তো খেলছি।"
দলের স্ট্র্যাটেজি তৈরির পাশাপাশি আরেকটা কাজও করেছেন গম্ভীর। প্লেয়ারদের সোশাল মিডিয়া থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, "সোশাল মিডিয়ায় সমস্যা হল, তুমি যে কোনও বক্তব্য ছড়িয়ে দিতে পারো। যেটা বাস্তব নয়। যে কেউ সমালোচনা করতে পারে। নেতিবাচক কথা বলতে পারে।
তবে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা নিয়ে একটা সমালোচনা হচ্ছে যে, পিচের সুবিধা পেয়েছে ভারত। গম্ভীরের বক্তব্য, টিম ইন্ডিয়া পিচ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার অনেক ঊর্ধ্বে। টি-টোয়েন্টিতে পিচ নিয়ে ভেবে লাভ হয় না। এই সব আলোচনা করে বিতর্ক বাড়ানো যায়। এই ধরনের সস্তা প্রচার গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশ্বকাপ জয়ের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি ‘কোচ সাহেব’কে হাসতে বলেছিলেন। শেষমেশ পুরনো সতীর্থর অনুরোধে হেসেছিলেন গম্ভীর। তবে তাঁর সাফ বক্তব্য, “লোকে জানে না কোচের কাজ কতটা কঠিন। তবে ধোনি টুইট করেছে বলে আমি খুশি। যদিও কোচের উপর গুরু দায়িত্ব থাকে। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় হাসিঠাট্টার জায়গা নেই।
Published By: Arpan DasPosted: 04:26 PM Mar 11, 2026Updated: 04:39 PM Mar 11, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
