Advertisement
বাবা হতে চলেছেন সূর্যকুমার? স্ত্রীর ছবি দেখে জল্পনা নেটপাড়ায়, গুঞ্জন অদিতির সঙ্গে ঈশানের বিয়ে নিয়েও
বিশ্বকাপ শেষেই কি জোড়া সুখবর?
ভারতের টি-টোয়েন্টি জার্সিতে এখন থ্রি স্টার। এই প্রথম কোনও দল ৩বার টি-২০ বিশ্বকাপ জিতল। এই প্রথম কোনও দল পরপর দু'বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল। এই প্রথম কোনও দল ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। জমকালো সেলিব্রেশন তো হতেই হবে।
শুরুটা হল ভাংরা দিয়ে। মাঠেই নেচে-গেয়ে মাতিয়ে দিলেন অর্শদীপ সিং, ঈশান কিষানরা। এমনকী কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকরও নাচ থামাতে পারলেন না। একদিকে আকাশে আলোর খেলা, অন্যদিকে মাঠে পতপত করে উড়ছে তেরঙ্গা পতাকা।
ভারতের বিশ্বজয়ের পরই গোটা দেশজুড়ে উৎসব। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহর তো বটেই। গভীর রাত পর্যন্ত বিজয়োৎসব চলেছে দেশের সব প্রান্তে। বাজি ফেটেছে। বাতাসে ছড়িয়েছে গান- 'লেহরা দো।'
ট্রফি জিতেই আহমেদাবাদের হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। সূর্যর গলায় ছিল গাঁদাফুলের মালা। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রসাদ খান তাঁরা। বাইরে এসে ছবিও তোলেন।
মাঠে এখন হার্দিক পাণ্ডিয়ার ছায়াসঙ্গী মাহিকা শর্মা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই হার্দিককে চুমু খেলেন মাহিকা। না, এখন আর শুধু বান্ধবী নন। মাহিকা এখন তাঁর ‘স্ত্রী’। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠেই তাঁকে ‘মিসেস’-এর মর্যাদা দিলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। তাছাড়া ট্রফির সামনে হার্দিকের সেই 'অরা' পোস্ট তো আছেই।
এদিকে প্রশ্ন সূর্যকুমারকে নিয়েও। তিনি কি বাবা হতে চলেছেন? স্ত্রী দেবিশা শেট্টি স্টেডিয়ামেই ছিলেন। তাঁকে দেখে অনেকে মনে করছেন, সম্ভবত তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এমনকী সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল একাধিক ভিডিও দেখে নেটিজেনরা জল্পনা বাড়িয়েছেন।
তবে সূর্য বা দেবিশা নিজে কিছু জানাননি। বিশ্বকাপ জয়ের পর আনন্দে ভারত অধিনায়ককে জড়িয়ে ধরেন দেবিশা। ২০১৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। তবে পরিচিতি ২০১০ সালে। অন্যদিকে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার জন্য সূর্যকে ৩০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। আর ৩৫-এ তিনি বিশ্বজয়ী।
বেশ কয়েক বছর ধরেই অদিতি হুন্ডিয়ার সঙ্গে প্রেম চলছে ঈশানের। তবে বিষয়টা খুব একটা প্রকাশ্যে আনেননি। বিশ্বকাপ ফাইনালের দিন মাঠে ঈশানের সঙ্গে দেখা গেল অদিতিকে। জয়পুরের বাসিন্দা অদিতি পেশায় মডেল। এবার কি বিয়ের পিঁড়িতে ভারতের তারকা ক্রিকেটার ঈশান কিষান?
একসময় দলে নিয়মিত ছিলেন না, সেখান থেকে বিশ্বকাপের সেরা প্লেয়ার। সঞ্জু স্যামসন নিজেকে প্রমাণ করেছেন, দলও তাঁর উপর ভরসা রেখেছে। আর সঞ্জু কৃতিত্ব দিলেন তাঁর স্ত্রীকে। চারুলতা রমেশ লিখেছেন, 'আমার ট্রফি তাঁর ট্রফি ধরে আছে।'
Published By: Arpan DasPosted: 07:11 PM Mar 09, 2026Updated: 07:11 PM Mar 09, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
