Advertisement
'মুসাফির ক্যাফে'র অনুভূতি এবার দার্জিলিং-কালিম্পঙেই, বর্ষায় ঘুরে আসুন এই ৫ ঠিকানায়
পাহাড়ের কোলে হাতে এক কাপ চা বা কফি, আর কী চাই!
কয়েকদিন ধরে চর্চায় মুসৌরির ঝরিপানি ক্যাসেল। কারণ সদ্য নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া সিরিজ 'মুসাফির ক্যাফে'। ঝরিপানি ক্যাসেলেই হয়েছে শুটিং। পাহাড়ের কোলে ওরকম একটা ঠিকানা মন কাড়বে না, তা হয় নাকি! কিন্তু ইচ্ছে হল আর উত্তরাখণ্ড পাড়ি দিলাম, বিষয়টা তো এতটা সোজা নয়। ছুটি একটা বড় ফ্যাক্টর। তবে যদি হাতে দিনতিনেক সময় থাকে তাহলে ঠিক মুসাফির ক্যাফের আমেজ পেতে যেতেই পারেন দার্জিলিং বা কালিম্পংয়ে।
কালিম্পংয়ের থানা দারা স্কোয়ারের কাছে পাহাড়ের কোলে রয়েছে ‘আর্টে ক্যাফে’। প্রবেশ ছেত্রী ও যচনা রিজাল এটির মালিক। ‘মুসাফির ক্যাফে’-র মতোই এখানে নিয়মিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যা হতেই গরম চা-কফির সঙ্গে গানে মেতে ওঠেন পর্যটকরা। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার পাশাপাশি এখানকার বিশেষ আকর্ষণ পিৎজা ও ক্যারট কেক। চেখে দেখতে ভুলে গেলে কিন্তু মিস করবেন। ঠিকানা কালিম্পংয়ের থানা দারা, শর্মা বিল্ডিং (ওভারসিস ব্যাঙ্কের উপরে)।
দার্জিলিংয়ের মল রোডের ঠিক উপরেই রয়েছে ‘দ্য সানডেক রুফটপ ক্যাফে’। চারপাশে পাহাড় দেখতে দেখতে, খোলা আকাশের নিচে বসে উপভোগ করতে পারবেন চা। এছাড়া মেনুতে রয়েছে গরম গরম মোমো, চিকেন সসেজ রামেন ও চিকেন বারবিকিউ-এর মতো খাবার। উপরি পাওনা মিউজিক। এই ক্যাফেতে সময় কাটাতে সঙ্গীরও প্রয়োজন নেই। বই নিয়ে বসলে কখন যে সময় কেটে যাবে, বুঝতেও পারবেন না। চক বাজারে গর্ভনর প্যালেসের উলটোদিকে রয়েছে এই ক্যাফেটি।
দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় রয়েছে ‘এয়ার ক্যাফে’। এখানে বসে যতদূর চোখ যাবে দেখতে পাবেন পাহাড় আর পাহাড়। সন্ধ্যায় দূরে পাহাড়ের কোলের গ্রামে-বাজারে যখন আলো জ্বলে ওঠে তা যেন চোখ জুড়িয়ে দেয়। সঙ্গীর সঙ্গে বা একা, সময় কাটানোর জন্য এই ক্যাফে আদর্শ। মুসাফির ক্যাফের মতো আমেজের পাশাপাশি পাবেন সুস্বাদু খাবার, আন্তরিক আতিথেয়তা। ঠিকানা হল, দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তা, শাংরিলা মলের তিনতলায়।
হিমালয়ের কোলে বসে বার্গার উপভোগ করতে চান? তাহলে অবশ্যই ঘুরে আসুন ‘বার্গার কার্টেল’-এ। দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তা থেকে হাঁটাপথের দূরত্বে রয়েছে এই ক্যাফে। এখানকার বার্গার, লোডেড ফ্রাই, মিল্কশেক বিখ্যাত। এখানকার পরিবেশ, কর্মীদের ব্যবহার ও খাবারের মান আর পাঁচচি ক্যাফের থেকে আলাদা করে তুলেছে এটিকে। দার্জিলিংয়ের চক বাজারে হোটেল সেভেন সিস বিল্ডিংয়ে রয়েছে এটি।
কালিম্পে যাওয়ার প্ল্যান থাকলে ঘুরে আসুন ‘ক্যাফে কালিম্পং’-এ। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে এটি একটি শান্তির নীর। একবার গেলে এই ক্যাফের নির্জনতা আপনার মন কাড়তে বাধ্য। গরম কফি, সুস্বাদ খাবার আর পাহাড়, মন ভালো করতে এর বেশি আর কী চাই!
কোন মন্ত্রে এমন সাফল্য এল? আসলে মিশন অলিম্পিক নামে একটি প্রকল্প রয়েছে ভারতীয় সেনার। অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, শুটিংয়ের মতো বিভিন্ন খেলায় প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। সাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে সেনার। পুণের এই স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে বেছে নেওয়া অ্যাথলিটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অ্যাথলিটদের যাবতীয় খরচ বহন করে সেনাই।
এই প্রকল্পের আওতায় যেসব অ্যাথলিট রয়েছেন, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর সেনাবাহিনীতে পদ দেওয়া হয় তাঁদের। ওই পদের জন্য নির্ধারিত বেতনও পান অ্যাথলিটরা। একেবারে বিনামূল্যে যাবতীয় ট্রেনিং করেন তাঁরা। ফলে দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা অ্যাথলিটরাও এগোতে পারেন স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে। এহেন সাফল্য দেখে নেটিজেনরা বলছেন, ভারতীয় সেনা স্রেফ সীমান্ত সামলায় না, দেশের চ্যাম্পিয়ন তৈরিও করে।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 04:04 PM Aug 03, 2026Updated: 05:06 PM Aug 03, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
