shono
Advertisement
Long-Distance Love to Living Together

লং ডিসট্যান্স চলছে দিব্যি, কাছে এলেই সম্পর্কে ভাঙন, কী কারণে, জানাচ্ছেন মনোবিদরা

লং ডিসট্যান্সে থাকার কালে দুই পক্ষই স্বপ্ন দেখেন, একসঙ্গে থাকার। কিন্তু কাছাকাছি আসার পরেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। কেন হয় এমন?
Published By: Utsa TarafdarPosted: 06:32 PM Aug 21, 2026Updated: 06:32 PM Aug 21, 2026

আউট অফ সাইট, আউট অফ মাইন্ড— এ কথা প্রেমীদের অজানা নয়। সঙ্গী চোখের আড়ালে গেলেই একসময় ছিঁড়ে যায় বন্ধন। ফিকে হয় টান। মনের থেকে দূরত্ব তৈরি হয় মনের। কিন্তু আধুনিক প্রেমের ভাষা বদলাচ্ছে বলে দাবি মনোবিদদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে সম্পর্ক বাঁচাতে চাইলে লং ডিস্ট্যান্স বরং নিরাপদ। সম্পর্ক ভাঙছে তখনই, যখন একই ছাদের নিচে পরস্পরের খুব কাছে আসছে দুজন মানুষ (Long-Distance Love to Living Together)!

Advertisement

সত্যি বলতে, এ দাবি নতুন নয়। হয়তো দুজন পার্টনার প্রেমের পরপরই কাজের সূত্রে অথবা পারিবারিক কারণে পরস্পরের থেকে দূরে চলে গিয়েছেন। দুই আলাদা শহরে কাটিয়েছেন পরের বছরগুলো। সে সময়ে প্রেম ভেঙে যাওয়ার বদলে আঁটসাঁট হয়েছে অনেক বেশি। সারাদিনের ক্লান্তি পেরিয়ে দুইজনই অপেক্ষা করে গিয়েছেন, দিনশেষে ফোনকল বা ভিডিওকলের অপর পারে কতক্ষণে দেখবেন সঙ্গীকে। বছরের এক-দুটো দিনে যখন দেখা হয়েছে, আবেগে আপ্লুত হয়েছেন দুই পক্ষই। আর ভেবেছেন বারবার, যেদিন দুজনের একটাই সংসার হবে, যেদিন থেকে সমস্ত দূরত্ব ঘুচে যাবে দুজনের মধ্যে, সেদিন প্রেম তো থাকবেই। থাকবে না কেবল মাঝের ব্যবধান। চাইলেই ছুঁতে পারা যাবে অন্যজনকে।

কিন্তু স্বপ্নের জগতে ভাঙন ধরেছে স্বপ্নপূরণের পরই। এতকালের ইচ্ছে মিটিয়ে যখন এক ঘরে, এক বাড়িতে থাকতে এসেছেন দুজন, তখন বনিবনার সমস্যা শুরু হয়েছে। হয়তো এতটাই, যে এক সময়ের পর একসঙ্গে থাকাই দুষ্কর বলে মনে হয়েছে।

কেন হয় এমনটা? তবে কি এতদিনের ফোনকলে করা গুচ্ছ গুচ্ছ প্রমিস আসলে মিথ্যাচার ছিল? মনোবিদরা জানাচ্ছেন, আসলে দূরত্বের প্রেমপর্বে তেমন দায়িত্ব থাকে না। যদি একে অপরের আর্থিক দায়িত্বের ভাগ কিছুটা সামলেও থাকেন, এক ঘরে একসঙ্গে থাকা অনেকখানি আলাদা এর চেয়ে। সে সময়ে দায়িত্ব নিতে হয় প্রতি পদেই। ফলে জীবনের অতিসাধারণ ঘটনাও বড় আকার ধারণ করে।

বাসন কে মাজবে? মশারি কে টাঙাবে? একজন ক্লান্ত থাকলে তার ভাগের কাজ অন্যজন করবে তো? এমন নানা সিদ্ধান্ত একসঙ্গে হানা দেয় যুগলের জীবনে।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এড়ানোর উপায় একটিই। দূরত্বে থাকাকালীনই আলোচনা করতে হবে জীবনের দায়দায়িত্ব। এতে কিছুটা হলেও স্বচ্ছতা আসবে ভবিষ্যতে। আবার একসঙ্গে থাকার সময়কালে যতই কঠিন বলে মনে হোক না কেন, দায়িত্বের তলায় প্রেমের অংশটিকে চাপা পড়ে যেতে দিলে চলবে না। সময় বের করে ঘুরতে যাওয়া, ভালো খাওয়া, ভালো সময় কাটানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। দুই পক্ষই যদি ভালোবাসা অটুট রাখতে পারেন, তবে এমন চিন্তা থাকে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement