নতুন বিয়ে করেছেন? আগে থেকে সাবধান হোন। যে বাড়িতে যাচ্ছেন, সেখানে গিয়ে প্রথমেই কর্তৃত্ব ফলাবেন না। কিংবা বেশি খোলামেলাও হতে যাবেন না। সবার আগে সেই বাড়ির সেন্টিমেন্ট বোঝার চেষ্টা করুন। ধীরে ধীরে এগোন। শাশুড়ি মায়েরা বিয়ের পরেও ছেলেকে আগলে রাখবে। সেটাই স্বভাবিক। এমনটা মেয়ের বাড়ির ক্ষেত্রেও হয়। কিন্তু তাবলে মাথা গরম করলে চলবে না। শাশুড়ি মায়েরা সংসারে নাক গলাবেই। কিন্তু তাতে রেগে গেলে চলবে কেন! তাহলে কী করবেন? রইল উপায়।
ফাইল ছবি
(১) শাশুড়ির অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ সবসময় সহ্য করা কঠিন। তবে তাই বলে মেজাজ হারানো চলবে না। নিজের অসুবিধা ও মনের কথা সঙ্গীকে পরিষ্কার করে জানান। সঙ্গী যদি পরিস্থিতি বুঝে তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, তবে বহু সমস্যা শুরুতেই মিটে যায়।
(২) ঝগড়া বা তর্ক করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। উলটে সংসারের শান্তি নষ্ট হয়। তাই শাশুড়ির সঙ্গে সরাসরি খোলা মনে কথা বলুন। তিনি রাজি না হলে সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে বসুন। ঠান্ডা মাথায় সামনাসামনি আলোচনা করলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি দূর হতে পারে।
(৩) মানুষমাত্রই ভুল হতে পারে। কে ঠিক আর কে ভুল— সেই বিচার করতে যাবেন না। শাশুড়ি মানেই যে তিনি আপনার ক্ষতি চান, তা ভাবাও ভুল। সব কথায় শাশুড়ির ভুল না ধরে তাঁর ভালো দিকগুলো দেখার চেষ্টা করুন। এতে সম্পর্ক সুস্থ থাকবে।
ফাইল ছবি
(৪) প্রতিটি সম্পর্কের একটি নিজস্ব সীমানা থাকা জরুরি। কারও ব্যক্তিগত পরিসরে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ কখনওই ভালো ফল আনে না। শাশুড়ির মনে কষ্ট না দিয়ে শুরু থেকেই নিজের প্রাইভেসি বা সীমারেখা স্পষ্ট করে দিন। এতে পরবর্তী সময়ে জটিলতা কমবে।
(৫) শাশুড়ি উপদেশ দিলেই যে সব মানতে হবে, তা নয়। আবার প্রতিটি কথায় তর্ক করাও ভুল। তিনি ৫টি কথা বললে ১টি মেনে নিন। বাকি ক্ষেত্রে বলুন, ‘আপনার পরামর্শ বুঝলাম, কিন্তু আমি অন্যভাবে ভাবছি।’ সম্মান বজায় রেখে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।
