মহানগররাজ্য​দেশবিদেশ
খেলা | ক্রিকেটঅন্যান্যফুটবল
বিনোদন | হলি বলি টলিসংস্কৃতিফিল্ম রিভিউটেলি দুনিয়াকফি হাউস
ওপার বাংলাভিডিওসম্পাদকীয়সঞ্চয়টেকঅফবিট

বন্ধুমহলের আপনিই কি ‘থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড’? নিজের মধ্যে এই লক্ষণগুলি খুঁজে পেলেই মিলবে উত্তর

আপনিও আপনার বন্দুদলের 'থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড' নন তো?
08:16 PM Aug 07, 2026 IST | Utsa Tarafdar
আপনিও আপনার বন্দুদলের 'থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড' নন তো?
অন্যের সমস্যায় সব সময়েই পাশে থাকেন?

প্রত্যেকটি বন্ধু-দলে এমন একজন মানুষ থাকেনই, যাঁর কাছে সবাই মন খুলে কথা বলে, দুঃখ ভাগ করে নেয়, পরামর্শ চায়। তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন, সমাধান খুঁজে দেন, সবার পাশে থাকেন। ব্রেক-আপ হোক বা বাড়ির সমস্যা, অথবা চাকরির জায়গায় বসের সঙ্গে খিটিমিটি ঝামেলা— রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে যে কোনও বিপদেই এমন বন্ধুর কাছে ছুটে আসে অন্যেরা। সোশাল মিডিয়া জানাচ্ছে এমন বন্ধুদের বলা যেতে পারে ‘থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড’ (Therapist Friend)।

আপনার মধ্যেও কি রয়েছে ‘থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড’ হওয়ার গুণাবলী? আপনি নিজেই এমন মানুষদের দলে পড়েন কি-না, জানবেন কীভাবে?

১। নিজের চেয়ে অন্যের অনুভূতিকে বেশি গুরুত্ব দেন
আপনি সব সময় চেষ্টা করেন অন্যদের ভালো রাখতে। অনেক সময়েই তাতে নিজের ভালো লাগা, মন্দ লাগা বিসর্জন দিয়ে দেন। অথচ সে কথা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে দেন না অন্য কাউকে। যদিও এই ব্যস্ততার মধ্যে অনেক সময় নিজেও মানসিক চাপ অনুভব করেন। যখন ভাবতে বসেন যে কাকে বলা চলে, তখন অবশ্য বন্ধু-দলের কেউই বা বুঝবে বলে মনে হয় না।

২। সবাই আপনার কাছে পরামর্শ আশা করে
বন্ধুরা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার মতামত জানতে চায়। চোখ বুজে তারা ভরসা করে আপনাকে। আপনি বললেই নাকি সব ঠিকঠাকভাবে মিটবে, এমন ধারণা বসেই গিয়েছে তাদের মনে। আর এ কথা ভুল নয়, আপনি সত্যিই পরিস্থিতি বুঝে শান্তভাবে পরামর্শ দেন। যদিও আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে তেমনভাবে পাশে পান না কাউকেই।

৩। ‘না’ বলতে আপনার অস্বস্তি হয়
আপনি ক্লান্ত থাকলেও বা নিজের সময়ের প্রয়োজন হলেও অন্যের কথা শুনতে রাজি হয়ে যান। কাউকে হতাশ করতে চান না বলেই প্রায় সব সময় সাড়া দেন। কিন্তু এতে অনেক সময়েই তারা আপনাকে সহজলভ্য ভেবে ফেলে। আপনি সত্যিই ব্যস্ত থাকলে, তারা তা বোঝার বদলে বরং ভ্রু কুঁচকায়।

৪। অন্যের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন
বন্ধুর সমস্যা শুনে শুধু সহানুভূতি দেখিয়েই থেমে যান না, বরং সেটি সমাধান করার দায়ও নিজের ওপর নিয়ে নেন। এতে অনেক সময় আপনি মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন। তবু এই অভ্যাস ছাড়তে পারেন না।

কী করবেন?
বন্ধুদের পাশে থাকা অবশ্যই জরুরি। স্বার্থপর না হয়ে, অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া, তার দুঃখ-যন্ত্রণা বোঝার মতো বড় গুণ সত্যিই খুঁজলে মেলে না। কিন্তু তার জন্য নিজের মানসিক সুস্থতা বিসর্জন দেওয়া একেবারেই অনুচিত। তাই সাহায্য করতে যতই ইচ্ছে হোক না কেন, সীমা নির্ধারণ করুন সবার আগে। নিজের ব্যক্তিগত পরিসর সামলে তবেই অন্যকে সময় দিন। নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনযোগী হওয়া কখনওই স্বার্থপরতা নয়।

Tags :
FriendshipRelationship
Advertisement