shono
Advertisement
Relationship

চ্যাটে-কলে প্রেম জমে ক্ষীর, সামনাসামনি আসতেই ভাটা পড়ছে কথায়, কেন এমনটা হয় জানেন?

সামনাসামনি বসে কথা বলতে গিয়ে বুঝতে পারছেন, কথোপকথন এগোচ্ছে না একেবারেই। মেসেজের মতো হাসি-ঠাট্টা তো দূর, সাধারণ কথাটুকুও ঠিকমতো বলা যাচ্ছে না যেন।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 08:08 PM Sep 12, 2026Updated: 08:08 PM Sep 12, 2026

ডেটিংয়ের দুনিয়ায় এমন প্রায়শই ঘটে। কয়েক সপ্তাহ ধরে কারও সঙ্গে নিয়মিত মেসেজ করছেন, ফোনে কথা বলছেন, আর ধীরে ধীরে মনে হচ্ছে— এই মানুষটিই হয়তো আপনার জন্য একেবারে ঠিক। মেসেজে দু’জনের হাসিঠাট্টা জমে যাচ্ছে, কথোপকথন থামতেই চাইছে না। ফোনেও দারুণ কেমিস্ট্রি। মনের মানুষটিকে খুঁজে পেয়ে আপনি আনন্দে দিশেহারা। এর পরের ধাপেই অনিবার্যভাবে দেখা হওয়ার কথা দুজনের (Relationship)।

Advertisement

কিন্তু দেখা করার পরই যেন ছবিটা বদলে গেল। সামনাসামনি বসে কথা বলতে গিয়ে বুঝতে পারছেন, কথোপকথন এগোচ্ছে না একেবারেই। মেসেজের মতো হাসি-ঠাট্টা তো দূর, সাধারণ কথাটুকুও ঠিকমতো বলা যাচ্ছে না যেন। অর্থাৎ, তিলমাত্র কেমিস্ট্রি নেই আপনাদের দুজনের মধ্যে।

এমনটা কেন হয় জানেন?

সাধারণত এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েন অন্তর্মুখী মানুষরাই। আসলে মেসেজে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় পাওয়া যায়। কী লিখবেন, কীভাবে বলবেন, এমনকি প্রয়োজন হলে উত্তর মুছে নতুন করে লেখার সুযোগও থাকে। ফলে নিজের সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত, মজার বা আত্মবিশ্বাসী দিকটি তুলে ধরা অনেক সহজ হয় যে কারও পক্ষেই।

অন্যদিকে, সামনাসামনি কথা বলার সময় উত্তর দেওয়ার আগে এতটা ভাবার সুযোগ থাকে না। মুখের অভিব্যক্তি, শরীরী ভাষা কিংবা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াও কথোপকথনের অংশ হয়ে যায়। ফলে অনলাইনে অত্যন্ত সাবলীল একজন মানুষ বাস্তবে কিছুটা চুপচাপ বা অস্বস্তিকর হয়ে পড়তেই পারেন।

মেসেজে আপনি অপর ব্যক্তির হাসি, চোখের দৃষ্টি, মুখের পরিবর্তন কিংবা আপনার কোনও কথায় তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখতে পান না। ইমোজি দিয়ে আবেগ বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তা কখনও বাস্তব অভিব্যক্তির সম্পূর্ণ বিকল্প নয়। অর্থাৎ হাসি না পেলেও হাসির ইমোজি দিতেই পারে উলটোদিকের জন। সামনাসামনি দেখা হলে এমন করার সুযোগ থাকে না। ফলে যা কিছু মিথ্যে, সে মুখোশ খসে যায় অল্প সময়েই।

তবে প্রথম ডেটের অভিজ্ঞতা খুব ভালো না হলেই যে সব শেষ, এমনটা বলা যায় না। কয়েক সপ্তাহ অনলাইনে কথা বলার পর প্রথমবার দেখা করাটা মানসিক বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যজনের সামনে যাতে ইমপ্রেশন নষ্ট না হয়, সে চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে দুই তরফই। ফলে চেয়েও ঠিকমতো মনের ভাব প্রকাশ করা হয়ে ওঠে না।

তেমন হলে আরও কিছুটা সময় দিন পরস্পরকে। ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন বাহ্যিক অস্বস্তির জায়গাগুলো। সত্যিই উলটোদিকের মানুষটি আপনার ‘মনের মানুষ’ কি-না, তা বোঝার জন্য সময় দিন নিজেদের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement