খাবার থালা নিয়ে বসলেন। মুখে এক গ্রাস খাবার তুললেন। সঙ্গে সঙ্গে বিগড়ে গেল মেজাজ। কারণ, খাবারের সঙ্গেই মুখে ঢুকেছে চুলও। খাবার খাওয়া তো হল-ই না। বাড়তি পাওনা বিরক্তি। এরকম সমস্যা কি প্রায়ই হচ্ছে? যখনই খাবার খাচ্ছেন তখনই পাতে পাচ্ছেন চুল? তবে অবহেলা করবেন না। জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদদের মতে, বারবার খাবারে চুল পড়া অশুভ ইঙ্গিত। অবহেলা করলে জীবনে বড়সড় ঝড় বয়ে যেতেও পারে।
জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদদের মতে, খাবারে চুল পড়ার ক্ষেত্রে তিনটি কারণই প্রধান। হতে পারে রাহুর দোষ কিংবা পিতৃদোষ। কারও কুনজরের ফলেও খাবারে চুল পাওয়া যেতে পারে। তাই অবহেলা না করে তড়িঘড়ি উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত, নইলে বিপদ হতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, এমন সমস্যা দেখা দিলে কী করবেন:
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদদের মতে, খাবারে ঘন ঘন চুল পাওয়া গেলে প্রথমেই স্নান সেরে নিন।
স্নানের পর শুদ্ধ বস্ত্র পরুন। ভুল করেও কালো রঙের পোশাক পরবেন না। - এবার ঠাকুরঘরে যান। ভালো করে ধূপ, দীপ জ্বালিয়ে পুজো দিন।
- বাড়ির কাছের হনুমান মন্দিরে যান। ভালো করে নৈবেদ্য সাজিয়ে সেখানে পুজো দিন। অবশ্যই ফল, মিষ্টির সঙ্গে কমলা সিঁদুর নিবেদন করুন।
- পুজোর পর অবশ্যই কমলা সিঁদুরের টিকা কপালে লাগান।
- পুজোর প্রসাদ নিজে খান। বেশি থাকলে শিশুদের বিলি করুন। এরপর আর পাতে চুল পাবেন না।
জ্য়োতিষ শাস্ত্রবিদদের মতে, তাতেও সমস্যা না মিটলে বুঝতে হবে রাহু কিংবা পিতৃদোষ চলছে। রাহুর দোষ হলে রাহুকে সন্তুষ্ট করা প্রয়োজন। নইলে এই সমস্যা থেকে মোটেও রেহাই মিলবে না। খাবার সময় একটি ছোট পাত্র নিন। আপনি যা খাচ্ছেন অল্প পরিমাণে ওই থালায় দিন। থালার আশপাশে জলের ছড়া দিন। তাতেই কাটবে রাহুর দোষ। পিতৃদোষ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও উপায় এই একই। এভাবে কমপক্ষে সাতদিন রাহু এবং পিতৃদোষ নিরাময় করতে হবে, তাতেই মিলবে সুফল।
