প্রেম কখনও বলে কয়ে আসে না। কখন যে মন কার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠবে, তা আগের মুহূর্ত অবধি বোঝা সম্ভব নয়। আর প্রেম যে কোনও বাধা মানে না, তা বলাই বাহুল্য। সেই কারণেই সঙ্গী থাকতেও তৃতীয় ব্যক্তির প্রতি তৈরি হয় আকর্ষণ। সমাজের চোখে যা পরকীয়া। দাম্পত্যের চিড়ের মাঝে যে কখন ঢুকে পড়ে তৃতীয় ব্যক্তি, তা বুঝে ওঠা কঠিন। আর যখন হুঁশ ফেরে ততক্ষণে চক্রব্যুহে আটকে পড়েছে জীবন। কারও কারও এই সম্পর্ক পরিণতি পায়, অধিকাংশেরই পায় না। তৈরি হয় এক অদ্ভুত জটিলতার। কিন্তু জানেন কি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সঙ্গেও রয়েছে পূর্বজন্মের যোগ? রয়েছে পাপ-পূণ্যের জটিল অঙ্ক। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেটাই।
আদৌ পূর্ণজন্মে বলে কিছু আছে? তা নিয়ে নানামুণির নানামত। একদলের বিশ্বাস, মানুষ একবার জন্মায়, একবারই মৃত্যু হয়। কেউ কেউ আবার একাধিক জন্মে বিশ্বাসী। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এজন্মে যা কিছু ঘটে তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আগের জন্ম। একইভাবে পরকীয়ার ক্ষেত্রেও বিষয়টা সেরকমই। বলা হয়, পূর্বজন্মে যদি সঙ্গীর সঙ্গে কেউ অন্যায় করেন, যে কোনওরকম প্রতারণা করেন বা প্রবলভাবে কষ্ট দেন কিন্তু তার শাস্তি না পান, সেক্ষেত্রেই পরবর্তীতে তাঁরা আটকে পড়েন পরকীয়া নামক চক্রব্যুহে।
তবে নেপথ্যে রয়েছে সামাজিক ব্যখ্যাও। দুটো মানুষ একসঙ্গে থাকলে অশান্তি, ঝামেলা খুব স্বাভাবিক বিষয়। কখনও কখনও সেই অশান্তি চরম আকার নেয়। বাড়ে দুজনের মধ্যে দূরত্ব। অনেকক্ষেত্রে আবার দীর্ঘদিনের জমে থাকা রাগ, অভিমানও চিড় ধরায় সম্পর্কে। সেই ফাটলের সূত্র ধরে জীবনে ঢুকে পড়ে তৃতীয় ব্যক্তি। ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পরকীয়া থেকে বেরনোয় উপায় ঈশ্বর স্মরণ, মন্ত্র জপ, সৎ পথে থাকা ও নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা।
