জীবন মানেই নম্বরের খেলা। সংখ্যাতত্ত্ব বলে, কার জীবন কোন স্রোতে বইবে তা ঠিক করে দেয় এই নম্বরই। এখানেই লুকিয়ে জীবনের যাবতীয় উত্থান-পতন। পূর্বজন্মের সঙ্গেও নাকি যোগ রয়েছে এই নম্বরের। শোনা যায়, পূর্বজন্মের কর্মফল ভোগ করতে নাকি জন্ম হয় বিশেষ কয়েকটা দিনে। যে তারিখগুলোকে বলা হয় কার্মিক ডেট (Karmic Birth Dates)। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আপনার জন্মতারিখও কার্মিক নয় তো? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব।
কর্মফলের ধারণা চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। যেমন কর্ম তেমন ফল, এই প্রবাদ মুখে মুখে প্রচলিত। সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, কর্মফল সব থেকে বেশি ভোগ করতে হয় ১৩, ১৪, ১৬ ও ১৯-এই জন্মতারিখের জাতকদের। এই তারিখে যাদের জন্ম হয় তাঁদের জীবন কার্যত একটা যুদ্ধ। ওঠা-পড়া লেগেই থাকে। প্রতি পদে পদে বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয় এদের। হওয়া কাজ বাতিল হয়ে যায়। দিনভর এরা ভাবতে থাকেন, কারও ক্ষতি তো করিনি, তাহলে কেন এমন হচ্ছে! কিন্তু উত্তর মেলে না। কারণ এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে পূর্বজন্মে!
সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, কর্মফল সব থেকে বেশি ভোগ করতে হয় ১৩, ১৪, ১৬ ও ১৯-এই জন্মতারিখের জাতকদের। এই তারিখে যাদের জন্ম হয় তাঁদের জীবন কার্যত একটা যুদ্ধ। ওঠা-পড়া লেগেই থাকে।
সংখ্যাতত্ত্ব বলে, এই দিনগুলোতে যাদের জন্ম তারা পূর্ব জন্মে এমন কিছু কাজ করেছে যার ফল তারা তখন ভোগ করেনি। অথবা এমন কোনও অপরাধ করেছে যার শাস্তি তারা সেজন্মে পায়নি। কিংবা হতে পারে কাজ অপূর্ণ রেখেছে। পূর্বজন্মের অপূর্ণতাকে পূর্ণ করতেই কর্মফল পাওয়ার তারিখগুলো জন্ম হয় অনেকের।
চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কার্মিক তারিখে জন্ম হলে কোন ধরনের সমস্যার মধ্যে দিয়ে এগোয় জীবন
১৩- এদের পারিবারিক দায়িত্ব বহন করতে হয়। কঠোর পরিশ্রম করতে হয় প্রতিমুহূর্তে
১৪-সংযম ও শৃঙ্খলার অভাব থাকে গোটা জীবন
১৬- অহংকার ভাঙে প্রতি মুহূর্তে
১৯- এই জন্মে আত্মনির্ভরতায় পাঠ নিতে প্রতি পদে
