ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি মানেই বাংলার ফাল্গুন মাস। গোটা ফাল্গুন মাসে পনেরো দিনের ব্যবধানে দু'টি গ্রহণ। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ। আর ৩ মার্চ চন্দ্রগ্রহণ। সূর্যগ্রহণ ভারত থেকে দেখা যাবে না। চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দৃশ্যমান। সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণকে অনেকেই অশুভ বলে মনে করেন। তাই অনেকেই বেশ দুশ্চিন্তায়। কারও কারও মনে প্রশ্ন জাগছে, ফাল্গুনে মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে দু'টি গ্রহণ কি অশনি সংকেত? জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা এই বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলছেন না। তবে একাধিক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন তাঁরা।
জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদদের অনেকেই বলছেন, পনেরো দিনের ব্যবধানে দু'টি গ্রহণের ফলে স্টক মার্কেটে ধস নামতে পারে। অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। ভূমিকম্প কিংবা বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় হতে পারে। বড় কোনও রাষ্ট্রনেতা সম্পর্কে দুঃসংবাদ আসতে পারে বলেও মনে করেন কেউ কেউ।
এই সময়ে কী করণীয়, তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন বলেই মনে করেন জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা।
কী করবেন না:
- গ্রহণের সময় বাইরে কোথাও না যাওয়াই ভালো। নিজের ঘরে থাকুন। তবে ভুলেও শোবেন না।
- গ্রহণের সময় খাওয়াদাওয়া করবেন না। এমনকী খাবার তৈরির প্রস্তুতিও না নেওয়াই উচিত। কারণ, এই সময় ছুঁরি, কাঁচিতে হাত দিলে বিপদ হতে পারে।
- এই সময় শৌচালয়ে যাবেন না। স্নান তো দূর অস্ত, মলমূত্রও ত্যাগ না করাই ভালো।
- গ্রহণের সময় দাঁত মাজবেন না। চুল, দাড়ি আঁচড়াবেন না। কাটবেনও না।
- খালি চোখে গ্রহণ দেখবেন না। তাতে চোখের ক্ষতি হতে পারে।
- গ্রহণের সময় গায়ে গয়নাগাটিও পরে না থাকাই ভালো বলে মনে করেন জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা।
- গ্রহণ চলাকালীন মন্দিরে পুজো দেবে না। বরং মনে মনে ঈশ্বরের আরাধনা চলতে পারে। আসলে এমন একটি বিশ্বাস রয়েছে, সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময় মন্দিরে পুজো দিলে তার ফল অশুভ হয়। তাই ওই সময়টা পুজো দেওয়ার বিষয়টা এড়িয়ে চলাই ভালো।
কী করবেন:
- গ্রহণের সময় বাড়িতে থাকা খাবার এবং জলে তুলসি পাতা দিয়ে রাখুন।
- গ্রহণের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ‘গোপাল মন্ত্র’ জপ করতে পারেন।
