shono
Advertisement
Snan Yatra

নিয়ম মানলে স্নানযাত্রাতেই ঘুরবে ভাগ্যের চাকা, জেনে নিন পুজোর শুভ তিথি

স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী, পুরীর মন্দির প্রতিষ্ঠার পর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন অনুষ্ঠান প্রচলন করেন। পুরী থেকে হুগলির মাহেশ, ইসকনের মন্দিরে মহা ধুমধাম করে পালন করা হয় দিনটি।
Published By: Sayani SenPosted: 03:45 PM Jun 28, 2026Updated: 03:45 PM Jun 28, 2026

প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা অত্যন্ত পবিত্র উৎসব। স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী, পুরীর মন্দির প্রতিষ্ঠার পর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন অনুষ্ঠান প্রচলন করেন। পুরী থেকে হুগলির মাহেশ, ইসকনের মন্দিরে মহা ধুমধাম করে পালন করা হয় দিনটি। বিশেষ রীতিনীতিও মেনে চলা হয়। যেসব মন্দির এবং বনেদি বাড়িতে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়, সেখানেও ঘটা করে পালিত হয় স্নানযাত্রা। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, এদিন ১০৮ ঘড়া জলে স্নান করানো হয় জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রাকে। আর তারপরই তাঁর জ্বর আসে। কথিত আছে, এই বিশেষ দিনে কয়েকটি নিয়মকানুন মেনে চললে নাকি ঘোরে ভাগ্যের চাকা। সুখসমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে জীবন।

Advertisement

জেনে নিন কী করণীয়:

  • স্নানযাত্রার বিশেষ তিথিতে কাকভোরে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন।
  • যত তাড়াতাড়ি পারেন গঙ্গাস্নান সেরে নিন।
  • স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্র পরুন। তারপর হাতজোড় করে সূর্যপ্রণাম করুন।
  • এরপর মন্দির কিংবা বাড়িতে যান। জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রার পুজো করুন।
  • পুজোর আগে ভালো করে বিগ্রহকে স্নান করান।
  • বিগ্রহের স্নানের জন্য নিন গঙ্গাজল ও কাঁচা দুধ। তাতে মেশান আতর, চন্দন ও কর্পূর।
  • স্নানের পর জগন্নাথদেবের চরণে ১০৮টি তুলসিপাতা অর্পণ করুন। ন্যূনতম ২৮টি তুলসিপাতা দিতেই হবে।
  • জগন্নাথদেব, সুভদ্রা ও বলরামকে গোলাপ দিন নিবেদন করুন।
  • প্রসাদ হিসাবে ৫ রকমের ফল দিন। সঙ্গে দিতে পারেন মিষ্টি।
  • সামর্থ্য থাকলে ব্রাহ্মণ ভোজন করাতে পারেন।

সোমবার স্নানযাত্রা। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে রবিবার রাত ৩টে ৮ মিনিটে। শেষ হচ্ছে সোমবার ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে। গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে রাত ২টো ৪৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে। পূর্ণিমা তিথি শেষ সোমবার ভোর ৪টে ৪৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। এই দিনে মেনে চলুন বিশেষ নিয়মগুলি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement