পরনে শাড়ি হোক কিংবা লং ড্রেস। কোনও ইভেন্ট হোক বা ব্যক্তিগত মুহূর্ত। সবসময় দক্ষিণী অভিনেত্রী সাই পল্লবীর ডান হাতে থাকে জপমালা। 'রামায়ণ' ছবির সীতার জপমালা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কেন সারাক্ষণ এই জপমালা পরেন অভিনেত্রী? ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নাকি আধ্যাত্মিকতা, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে চর্চা।
তুলসি, রুদ্রাক্ষ, চন্দন, স্ফটিক কিংবা পদ্মবীজের মতো উপাদান দিয়ে তৈরি হয় জপমালা। প্রত্যেকটি উপাদানের আলাদা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। স্ফটিক ব্যবহার করা হয় মানসিক শান্তির জন্য। রুদ্রাক্ষ আবার মহাদেবের মন্ত্র জপে প্রয়োজনীয়। রুদ্রাক্ষের মালা আসলে নেতিবাচক শক্তিকে দূর করতে সাহায্য করে। বিষ্ণু বা কৃষ্ণ আরাধনার জন্য তুলসি। শুটিং ছাড়া সবসময়ই চন্দনের মালাও পরেন রিল লাইফের 'সীতা'।
ফ্যাশন নয়। একেবারে আধ্যাত্মিকতায় সাই পল্লবী হাতে জপমালা পরেন। আধ্যাত্মিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সাই পল্লবী চন্দন কাঠের জপমালা পরেন। এই মালায় রয়েছে ১০৮টি দানা। সনাতন ধর্মে যার গুরুত্ব অপরিসীম। ঈশ্বর ও আত্মার সংযোগস্থাপনে এই জপমালা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এটি মানুষকে অহংকার, চিন্তামুক্তির পথ দেখায়। তাই আধ্যাত্মিক বিশ্বাস থেকেই সাই পল্লবী এই জপমালা পরেন।
জপমালা আপনি চাইলেই যেকোনও সময় পরতে পারেন না। তার কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। আধ্যাত্মিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রত্নপাথর একবার ধারণ করলে আর শরীর থেকে তা খোলা যায় না। তবে জপমালা সারাক্ষণ পরার জিনিস নয়। শুধুমাত্র ধ্যান বা জপের সময় পরতে পারেন। ঘুমনো, স্নান, শৌচাগারে যাওয়ার সময় জপমালা পরা উচিত নয়। তাতে ওই জপমালার পবিত্রতা নষ্ট হয়।
