বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আকাশের চাঁদ ছোঁয়া এখন আর স্রেফ কল্পনা নয়। সত্যিই সম্ভব চন্দ্রভ্রমণ। চাঁদের মাটিতে হেঁটেচলে ঘুরে বেড়ানো একেবারে খাঁটি বাস্তব। অর্থ থাকলেই সব সম্ভব। ইদানিং বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির সিঁড়িভাঙা উন্নতিতে মহাকাশ পর্যটন ট্রেন্ডিং। বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা এনিয়ে জাঁকিয়ে ব্যবসায় নেমেছে। প্রচুর অর্থ লগ্নি হচ্ছে। তেমনই একটি গ্রু স্পেস। একটি বেসরকারি সংস্থা, যা দীর্ঘমেয়াদে শুধুমাত্র চাঁদ নিয়ে কাজ করতেই আগ্রহী। আর তারা এবার আনছে একেবারে লোভনীয় অফার। চাঁদে ঘুরতে যেতে চাইলে চটপট বুক করে ফেলুন হোটেল। পকেট থেকে খসবে মাত্র ১ হাজার ডলার। চমকে গেলেন? হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
চাঁদে ঘুরতে যেতে চাইলে চটপট বুক করে ফেলুন হোটেল। পকেট থেকে খসবে মাত্র ১ হাজার ডলার।
মহাকাশ ভ্রমণে আগ্রহী জনতার কথা ভেবে গ্রু স্পেসের রীতিমতো চমকপ্রদ কাজ করছে। চাঁদের বুকে তারা বানাচ্ছে হোটেল। হ্যাঁ, মানুষের বসবাসযোগ্য অস্থায়ী ডেরা। যেমন কোথাও বেড়াতে গেলে আপনি থাকেন, তেমনই। শুধু হোটেল তৈরি নয়, চন্দ্রভ্রমণের গোটা প্যাকেজ অফার করছে গ্রু স্পেস। আপনাকে পৃথিবী থেকে মহাকাশযানে চড়িয়ে চাঁদে নিয়ে যাওয়া থেকে ঘোরাঘুরির পর ফিরিয়ে আনা, সব দায়িত্ব এই সংস্থার। চাঁদের মাটিতে চলেফিরে বেরনোর উপযুক্ত হিসেবে আপনাকে তৈরি করা হবে।
আগাম বুকিংয়ের সুযোগও দেওয়া হচ্ছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে গ্রু স্পেসের সঙ্গে চাঁদে যেতে চাইলে ১ হাজার ডলার দিয়ে আবেদন করতে হবে। এই অর্থ ফেরতযোগ্য নয়। আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত পর্যটকদের ডিপোজিট দিতে হবে। সেই অঙ্কটা বেশ বেশি - ১০ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ ডলার। কোনও কারণে যদি ভ্রমণ বাতিল হয়, তাহলে অবশ্য আপনি এই অর্থ ফেরত পেতে পারেন।
সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে গ্রু স্পেসের সঙ্গে চাঁদে যেতে চাইলে ১ হাজার ডলার দিয়ে আবেদন করতে হবে। এই অর্থ ফেরতযোগ্য নয়। আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত পর্যটকদের ডিপোজিট দিতে হবে। সেই অঙ্কটা বেশ বেশি - ১০ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ ডলার।
শর্ত রয়েছে আরও। আপনি চাঁদে যেতে চাইলেই তো হল না। মহাকাশ ভ্রমণের জন্য আপনি 'ফিট' কিনা, তা পরীক্ষা করা হবে। যদি তাতে ফেল করেন, তাহলে আপনার আবেদন করা ১ হাজার ডলার ফেরতও পাবেন না। তা সোজা সংস্থার পকেটেই ঢুকবে। যদি বা ওই পরীক্ষায় পাশ করলেন, তাহলেও জানতে পারবেন না যে কবে আপনার যাত্রা শুরু হচ্ছে। দিনক্ষণ জানাবে গ্রু স্পেস। সেই নির্ধারিত দিনে কোনও গোলযোগ হলে আবার মহাকাশযান নাও রওনা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও অভিযোগ করা যাবে না। আপাতত একসঙ্গে চারজন থাকার মতো হোটেল তৈরি হচ্ছে। সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত যাতে তা চন্দ্রপৃষ্ঠে স্থায়ী হতে পারে, তেমন পরিকল্পনা রয়েছে গ্রু স্পেসের।
