বিশ্বকাপে খেলতে মুখিয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা। গত কয়েকদিন ধরে স্পষ্টভাবে এই কথা বলে এসেছেন মেহদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্তরা। কিন্তু তাঁদের সেই ইচ্ছাকে কার্যত উপেক্ষা করছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ দল। এই নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর কী আলোচনা হয়েছে তাও গোপন রেখেছেন আসিফ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটারদের আবেগ এবং ইচ্ছা নিয়ে কি ছেলেখেলা করছে বাংলাদেশ?
বিসিবি কর্তা এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর আসিফ নজরুল বলেন, বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেটার সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে তাঁদের মতামত। বৈঠকে কী বলেছেন ক্রিকেটাররা? সেই প্রশ্নের জবাব অবশ্য এড়িয়ে গিয়েছেন আসিফ। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে ক্রিকেটারদের কথাটা খুবই ব্যক্তিগত। সেই কথা যদি আমি প্রকাশ্যে বলি, সেটা ঠিক নয়। এরকমটা হলে তো ওরা মন খুলে কথা বলতে পারবে না।"
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস এবং মেহদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্তদের নাম উল্লেখ করেন আসিফ। উল্লেখ্য, মেহদি এবং নাজমুল দু'জনেই প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে বিশ্বকাপ খেলতে চান তাঁরা। ক্রিকেটারদের নাম উল্লেখ করে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, "আজকের বৈঠকে আমরা ক্রিকেটারদের বুঝিয়েছি, ভারতে খেলতে যাওয়াটা কেন ঝুঁকিপূর্ণ। আমার মনে হয় ওরা সেটা বুঝেছে।"
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস এবং মেহদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্তদের নাম উল্লেখ করেন আসিফ। উল্লেখ্য, মেহদি এবং নাজমুল দু'জনেই প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে বিশ্বকাপ খেলতে চান তাঁরা।
সাংবাদিকদের একজন প্রশ্ন করেন, ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের কী ক্ষতি হবে? চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে আসিফে জবাব, "নিজের দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না করে তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দিলে কী ক্ষতি হবে সেটা বুঝে নেওয়া দরকার। তাছাড়া কোনও দেশে তার নাগরিক সুরক্ষিত কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার, অন্য কেউ নয়।" প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটারদের খেলার ইচ্ছা নয়, দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনকেই অগ্রাধিকার দিল বাংলাদেশ? তাহলে কি ক্রিকেটারদের খেলার ইচ্ছাকে একেবারে দমিয়ে দিচ্ছে বিসিবি? স্রেফ রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রিকেটারদেরকে হাতের পুতুলে পরিণত করা হচ্ছে? উঠছে প্রশ্ন।
