আট থেকে আশি সকলেই বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে সরগর। পড়াশোনা হোক বা অফিসিয়াল কাজ, সকলেই দিনের একটা দীর্ঘসময় এই অ্যাপে ডুবে থাকেন। এই অ্যাপের সব থেকে বড় সুবিধা হল, বয়স এক্ষেত্রে কোনও বাধা নয়। যে কোনও বয়সেই এই অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। তবে সম্প্রতি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, এবার নাকি হোয়াটসঅ্যাপেও বয়সসীমা বেঁধে দেওয়া হতে পারে! নেপথ্যে একটি স্ক্রিনশট। সত্যিই কি তাই? কী জানাচ্ছে সংস্থা?
সম্প্রতি 'এক্স' হ্যান্ডেলে স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপে জন্ম তারিখ অ্যাড করতে বলা হচ্ছে। ওই স্ক্রিনশট অনুযায়ী, ভারতের সরকারের আসন্ন নিয়মকানুনের কারণেই এমনটা করা হচ্ছে। এই স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করেই তুঙ্গে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কি কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ভারত সরকার কঠোর কোনও নিয়ম চালু করছে? সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, কোনও ফিচার ব্যবহার বা নিবন্ধনের সময় তারা ব্যবহারকারীদের কাছে বয়স জানতে চাইতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করার জন্য তারা অতিরিক্ত তথ্যেরও অনুরোধ করতে পারে। তবে একটি নির্দিষ্ট বয়স না হলে এই অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না, এমন কোনও নির্দেশিকা রয়েছে বলে এখনও জানা যায়নি।
হোয়াটসঅ্যাপের কথায়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলতেই ব্যবহারকারীদের বয়স সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা। এই তথ্যের মাধ্যমে তারা বয়স-উপযুক্ত অভিজ্ঞতা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু 'মেটা এআই' ফিচার এবং 'স্ট্যাটাস' ও 'চ্যানেল'-এর বিজ্ঞাপন। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, এক্স, রেডিট এবং ইউটিউবের মতো বেশ কয়েকটি প্রধান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার নিষিদ্ধ। সেখানকার সরকারের মতে, ক্ষতিকর বিষয়বস্তু, সাইবার বুলিং এবং অনলাইন গ্রুমিংয়ের সংস্পর্শে আসা থেকে শিশুদের রক্ষা করাই ছিল এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। তবে, অস্ট্রেলিয়ার এই নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে হোয়াটসঅ্যাপকে বাইরে রাখা হয়েছে।
