প্রেমের মাসে মনে বসন্তের ছোঁয়া লেগেছে। মনোরম আবহে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর যেন এটাই সেরা সপ্তাহ। আর যদি প্রেম দিবসের উইকএন্ডকে কাজে লাগিয়ে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করতে পারেন, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। মনের মানুষের সঙ্গে একান্তে দিনযাপনের জন্য সৈকত শহর গোয়া যাওয়ার প্ল্যান করতেই পারেন। তাড়াহুড়োতে সাইট-সিয়িং নয়, বরং প্রাণ ভরে উপভোগ করুন গোয়ার আসল সৌন্দর্যকে। কীভাবে? সেই হদিশই রইল আজ।
মেঘের মাঝে জলখাবার!
একের পর এক ট্যুরিস্ট স্পটকে বুড়ি-ছোঁয়ার বদলে, সঙ্গীকে নিয়ে কাটানো সময় করে তুলুন উপভোগ্য। দিনের শুরু করতে পারেন মেঘেদের মাঝে বসে জলখাবার সেরে। আজ্ঞে হ্যাঁ! গোয়ার ব্যাম্বোলিন বে-তে অবস্থিত ‘গ্র্যান্ড হায়াত গোয়া’-এ রয়েছে ‘ফ্লাই ডাইনিং’-এর ব্যবস্থা। ভূতল থেকে ৫০ মিটার উচ্চতায় প্রায়-ভাসমান এই ডাইনিং এরিয়া। সুদৃশ্য ব্যাম্বোলিন বে দেখতে দেখতে সেরে ফেলা যাবে সকাল, দুপুর, বিকেল অথবা রাতের খাওয়ার পর্ব।
দুপুর কাটুক প্রাইভেট ইয়টে!
সারাদিনের জন্য ভাড়া করতে পারেন প্রাইভেট ইয়ট; ভিড়ের ধাক্কা এড়িয়ে দুইজনে মিলে ভেসে পড়ুন গোয়ার কোনও ছোট নদী অথবা খোদ আরব সাগরে। রয়েছে একাধিক ‘ডিস্কভার প্যাকেজ’, যা পর্যটকদের এ’ধরণের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দেয়। সাঁতার জানা থাকলে, ইয়ট থেকে ঝুপ করে নেমে পড়তে পারেন স্বচ্ছ ঠান্ডা জলেও!
দিনান্ত হোক পাহাড়ি টিলায়
দু'জনে মিলে সাইকেল ভাড়া নিয়ে বেরিয়ে পড়তে পারেন গোয়ার পথে পথে। অভিজ্ঞ ট্রাভেল এজেন্টের সাহায্য নিয়ে, হেঁটে দেখতে পারেন গোয়ার বনপথ। দক্ষিণ গোয়ায় থাকেন যদি, বুক করতে পারেন কানাকোনার কোনও নদীর ধারে প্রাইভেট পিকনিক। সঙ্গীর হাতে হাত রেখে, প্রকৃতির কোলে বসে চুমুক দিতে পারেন স্বাদু ফেনি ককটেলে। দিনের শেষ করতে পারেন কানাগুইনিমের ছোট কোনও পাহাড়ি টিলায়। সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে সঙ্গীকে নতুন করে জানাতে পারেন ভালোবাসার কথা।
জমে উঠুক খাঁটি গোয়ানিজ খাবারে
দু'জনেই যদি খাদ্যপ্রেমী হন, তবে আঞ্জুনার রেস্তরাঁ ঘুরে খোঁজ নিতে পারেন ‘টেস্টিং টেবিল’-এর। এই ধরনের ‘ফুড এক্সপেরিয়েন্সে’ সরাসরি চাষের জমি থেকে আসা টাটকা সবজি অথবা স্থানীয় ফলের রস, চা প্রভৃতি দিয়ে সাজানো হয় মাল্টি-কুইজিন প্ল্যাটার। যা কেবল সুস্বাদু খাবার নয়, পর্যটকদের পরিচয় করায় গোয়ার ঐতিহ্যের সঙ্গে।
কেবল প্রেমের সপ্তাহই কেন, বছরের যেকোনও সময়ের গোয়া ট্রিপকেই করে তুলুন রঙিন।
