shono
Advertisement
Travel Guide

শুধু পাসপোর্ট-ভিসা নয়, ভারতে এলে ১ এপ্রিল থেকে বিমানবন্দরে লাগবে এই বিশেষ ই-কার্ড

এবার পকেটে শধু পাসপোর্ট আর ভিসা থাকাই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে রাখতে হবে বিশেষ ডিজিটাল ই-অ্যারাইভাল কার্ড। ভাবছেন, এ বোধয় নয়া ঝক্কি! আজ্ঞে না, তা নয়। বরং আরও সহজ হল বিদেশিদের ভারত ভ্রমণ। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের সুবিধার্থে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় আমূল বদল আনল কেন্দ্র। শেষ হল এবার পুরনো কাগজের ‘ডিসঅ্যামবার্কেশন’ ফর্ম ফিলাপের দিন।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 07:34 PM Mar 31, 2026Updated: 07:34 PM Mar 31, 2026

ভারত-ভ্রমণে বেরিয়েছেন? ভালো কথা। তবে, ভারতের মাটিতে পা রাখতে এবার কিন্তু চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম। সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরেই ১ এপ্রিল থেকে লাগু হচ্ছে এই নিয়ম। এবার পকেটে শধু পাসপোর্ট আর ভিসা থাকাই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে রাখতে হবে বিশেষ ডিজিটাল ই-অ্যারাইভাল কার্ড। ভাবছেন, এ বোধয় নয়া ঝক্কি! আজ্ঞে না, তা নয়। বরং আরও সহজ হল বিদেশিদের ভারত ভ্রমণ। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের সুবিধার্থে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় আমূল বদল আনল কেন্দ্র। শেষ হল এবার পুরনো কাগজের ‘ডিসঅ্যামবার্কেশন’ ফর্ম ফিলাপের দিন।

Advertisement

ছবি: সংগৃহীত

এত দিন বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ভারতে নামার আগে বিমানে বসে ইমিগ্রেশনের জন্য একটি ফর্ম হাতে কলমে পূরণ করতে হত। এপ্রিলের প্রথম দিন থেকে এই গোটা প্রক্রিয়াটি হয়ে যাচ্ছে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন বা পেপারলেস। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম জমা দেওয়ার ঝক্কি থেকে এবার রেহাই পাবেন যাত্রীরা। ভারতের আধুনিক বিমানবন্দরগুলিকে বিদেশের ধাঁচেই আরও উন্নত ও স্মার্ট করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

ভারতে পৌঁছানোর অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে অনলাইনে এই ই-অ্যারাইভাল ফর্ম পূরণ করতে পারবেন যাত্রীরা। ফর্ম জমা দিলেই ফোনে চলে আসবে একটি কিউআর কোড। সেই কোডটি মোবাইলে সেভ করে রাখলেই চলবে, চাইলে প্রিন্টও করা যেতে পারে। বিমানবন্দরে নামার পর ইমিগ্রেশন কাউন্টারে কেবল ওই কোডটি দেখালেই কেল্লাফতে। পাসপোর্ট, বিমানের নম্বর এবং ভারতে থাকার ঠিকানার মতো কিছু সাধারণ তথ্য দিলেই এই ফর্ম পূরণ করা যাবে। আলাদা করে কোনও নথি আপলোড করার প্রয়োজন নেই। একটি ফর্মে পরিবারের সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্যের তথ্য দেওয়া যাবে।

ছবি: সংগৃহীত

কারা পাবেন এই সুবিধা?
এই নতুন নিয়ম মূলত বিদেশি পর্যটক এবং ওসিআই কার্ডধারীদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য স্বস্তির খবর, তাঁদের এই ফর্ম পূরণ করার প্রয়োজন নেই। সরকারি সূত্রের খবর, পাইলট প্রজেক্টে দেখা গিয়েছে এই ডিজিটাল কার্ডের ফলে ইমিগ্রেশনের সময় প্রায় ৪০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব। এতে যেমন সময় বাঁচবে, তেমনই কমবে কাগজের অপচয়। সময় বাঁচিয়ে দ্রুত বিমানবন্দর থেকে বেরোতে এই ডিজিটাল কার্ডই এখন পর্যটকদের প্রধান হাতিয়ার। যারা এই ফর্ম পূরণ করবেন না, তাঁদের ইমিগ্রেশনের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সমস্যা পোহাতে হতে পারে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতের এই ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া পর্যটন ক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement