বঙ্গে পালাবদল হতেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের কেচ্ছা কেলেঙ্কারি। কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে পড়ছে কেউটে! জুনের শুরুতেই সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অন্দরমহলের চিত্রটা সামনে আসতেই যেন পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গিয়েছিল সংশ্লিষ্ট কলেজের পড়ুয়াদের একাংশের। ইউনিয়ন রুম থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি উই পোকায় খাওয়া টাকা উদ্ধারের কিছুক্ষণের মধ্যেই কলেজের ভিতরে হদিশ পাওয়া যায় দু’টি বেডরুমের। এখানেই শেষ নয়, উদ্ধার হয়েছিল কন্ডোমের প্যাকেটও।
এই বেডরুমগুলি তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কানকাটা দেবু ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ। ওই ঘরে ওই তৃণমূল নেতাদের ম্যাসাজ দেওয়া হত বলেই খবর। বদলের বঙ্গে এসব দেখে স্তম্ভিত অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়। মন্তব্য করা থেকে নিজেকে আর বিরত রাখতে পারলেন না। বাংলা ধারাবাহিকের এই জনপ্রিয় অভিনেতা পূর্বতন সরকারকে খোঁচা মেরে লিখেছেন, 'কেউ ভেবেছিল কোনও রাজনৈতিক দল এত রোম্যান্টিক হতে পারে? স্কুল থেকে কলেজ, হাসপাতাল থেকে ক্লাবঘর সর্বত্রই রোম্যান্সের ব্যবস্থা।'
সুদীপের হেঁয়ালি
শহরের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী শিলাজিৎ মজুমদার। কলেজে কন্ডোম পাওয়ার বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কী বললেন? শিলাজিৎ প্রথমে সাংবাদিকদের মুখে কলেজের এসি রুম পর্যন্ত কথাটুকু শুনেই প্রশংসা করেন। এরপর তাঁকে থামিয়ে ফের যখন পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ বিছানার প্রসঙ্গে পৌঁছতেই বেশ উত্তেজনার সঙ্গে বলে ওঠেন, 'ভালো তো, বিশ্রাম নেওয়ার ব্যবস্থা আছে'।
হতভম্ব শিলাজিৎ মজুদার!
পুরো বিষয়টা শোনার পর কয়েক সেকেণ্ডের জন্য একেবারে হতভম্ব শিলাজিৎ! ক্যামেরার পিছনে ঘুরে মুচকি হেসে নেন। এমন একটা প্রশ্ন শুনে প্রথমে যে একটু ইতস্ততবোধ করছিলেন তা ছবিশিকারিদের লেন্সে একদম স্পষ্ট। কী বলবেন সেটাই যেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। অতঃপর নিজেকে সামলে একবাক্যে নিজের মতামত শেয়ার করেন। ব্যাঙ্গাত্মক সুরে বলেন, 'খুব সিকিওরড কলেজ। প্রগেসিভ কলেজ, কন্ডোম যখন পাওয়া যাচ্ছে তখন তো সেফটি-সিকিওরিটির বিষয়ে খুবই সচেতন।'
