ভয়ের ভাঙড়ে ভোটের (Bengal 2nd Phase Election 2026) দিন রাস্তায় নেমে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি (এনআইএ)। একাধিক স্পর্শকাতর এলাকায় ঘুরে পরিদর্শন করছে এনআইএ-র দল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের একটি দিল। সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে রাস্তায় নেমে নজরদারি শুরু করা হয়েছে।
ভাঙড়ে ৭৯টি তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ (NIA)। প্রথমে ভাঙড় ডিভিশনের উত্তর কাশী থানায় এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশেই এই সংক্রান্ত মামলা নিজেদের হাতে নেয় এনআইএ। দ্বিতীয় দফার ভোটের (Bengal 2nd Phase Election 2026) ২দিন আগে থেকেই ভাঙড়ে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে এনআইএ। বুধবার ভোটের দিনও কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশকে নিয়ে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় এদিন কারও বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
জানা গিয়েছে, এদিন ঘটকপুকুর, বিজয়গঞ্জ বাজার, প্রাণগঞ্জ সহ একাধিক এলাকায় পরিদর্শন করেছে এনআইএ-র দল। ভোটের দিন যাতে ভাঙড়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না ঘটে সেই কারণে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছে এনআইএ-র দল। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছেন আধিকারিকরা।
ভাঙড়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, বোমাবাজির মতো ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। এই চেনা ছবির পরিবর্তন করতেই ভোটের দিন সকাল থেকেই মাঠে নেমে পড়েছে এনআইএ। রাজ্যে দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ শেষ দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বোমা প্রস্তুতকারীদের গ্রেপ্তার করতে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বঙ্গে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে এই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, বোমা তৈরির মামলা-সহ এই ধরনের সমস্ত মামলার তদন্ত করবে এনআইএ। এরপর ভাঙড়ে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। তদন্ত হাতে নেওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই এলাকা পরিদর্শন করছেন আধিকারিকরা। ভোটের দিনও সকাল থেকেই তাঁদের রাস্তায় দেখা গেল।
