শুধুমাত্র ভোটে জেতার জন্যই যে মাছ-চর্চা নয় তা এবার প্রমাণ করল বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ইতিমধ্যেই মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ আরও পাঁচজন মন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন। আর রবিবারই বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত মাছ উৎসবে অংশ নিয়ে ফের একবার মাছ-রাজনীতি উসকে দিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মানিকতলার জয়ী বিজেপি প্রার্থী তথা ভাবী বিধায়ক তাপস রায়ও। দিলীপ জানান, 'অন্ধ্র নয়, বাঙালিকে বাংলার মাছ খাওয়াচ্ছে বিজেপি।' তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে বাংলাকে মাছে স্বনির্ভর করতে পারেনি তৃণমূল সরকার। তাই ক্ষমতায় এসে প্রথমেই বাঙালিকে বাংলার মাছ-ভাত খাওয়াচ্ছে দলের কর্মীরা। অন্যদিকে তাপস রায়ের কথায়, "বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে মাছ আসে বলে বাঙালিরা মাছ, ডিম খেতে পায়।"
বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস বন্ধ করে দেবে বলে ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে প্রচার করেছিল তৃণমূল। সেই 'মিথ্যাচার'কে খণ্ডন করতে নির্বাচনের আগে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মাছ নিয়ে প্রচার শুরু করেছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও বাংলায় এসে প্রকাশ্যে মাছ খেতে দেখা গিয়েছে। বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইতিমধ্যেই ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী এবং আরও পাঁচ মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন দিলীপ ঘোষও। শনিবার শপথের পরেই রবিবার আমহার্স্ট স্ট্রিটে বিজেপি কর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত মাছ উৎসবে উপস্থিত হয়ে তৃণমূল সরকারের মিথ্যাচার নিয়ে সরব হন তিনি।
দিলীপ বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন মিথ্যা কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। সেই সব মিথ্যাচারের উত্তর আমরা মুখে দেব না। কাজে করে দেখাব। তাই ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি কর্মীরা প্রথমেই মানুষকে মাছ-ভাত খাওয়াচ্ছে। অন্ধ্র নয় বাংলার মাছ খাওয়াচ্ছে।" অন্যদিকে, হবু বিধায়ক তাপস রায়ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিথ্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। বাঙালির মাছ-ভাত মমতাই বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এতদিন তৃণমূলের তোলাবাজরা মাছ খেত। এবার মাছ যাতে সকলের পাতে পৌঁছয় তার ব্যবস্থা ভারতীয় জনতা পার্টি করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তাপস।
