shono
Advertisement
Mothabari

মোথাবাড়ি কাণ্ডে এবার এনআইএ-র জালে তৃণমূল ব্লক সভাপতি, ধৃত বেড়ে ৫৪

সুজাপুরের হালপাড়ার ভোলা শেখ নামে এক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।
Published By: Jaba SenPosted: 10:09 PM May 09, 2026Updated: 10:09 PM May 09, 2026

ভোট গণনার আগের দিনই তাঁকে তলব করা হয়েছিল। মেইল করে সময় চেয়েছিলেন তিনি। এবার হাজির হয়েই এনআইএ-র জালে মালদহের কালিয়াচকের ব্লক তৃণমূল সভাপতি মহম্মদ সরিউল শেখ। মোথাবাড়ি কাণ্ডে জোরদার তদন্ত চালানোর পাশাপাশি ধরপাকড়ও অব্যাহত রেখেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর শপথগ্রহণের আগের রাতেই ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেপ্তার করা হল। সেই সঙ্গে সুজাপুরের হালপাড়ার ভোলা শেখ নামে এক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।

Advertisement

শুক্রবার রাতেই ধৃত দু'জনকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন এনআইএ-র তদন্তকারীরা। শনিবার তাঁদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। এনআইএ সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসের ভিতরে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় এবং সেই রাতেই সুজাপুর ও চৌরঙ্গী মোড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে এনআইএ জানিয়েছে, ধৃত সাদিউল শেখ কালিয়াচক থানার সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। আর এক ধৃত মানজির ওরফে ভোলা শেখের বাড়ি সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হালপাড়ায়। মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় এনিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৪।

জানা গিয়েছে, মোথাবাড়ির এই ঘটনায় কালিয়াচকের আর এক তৃণমূল নেতা আবদুর রহমানকেও তলব করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। আবদুর রহমান মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য। সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন তিনি। এছাড়াও সুজাপুর ও কালিয়াচক এলাকার আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে তলব করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।
রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা আগে কালিয়াচক-১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতির গ্রেপ্তারের ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার কি কোনও বিধায়ক? এই প্রশ্নে জেলার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসের ভিতরে মধ্যরাত পর্যন্ত বিচারকদের আটকে রেখে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনায় জেলা পুলিশের হাতে প্রথম গ্রেপ্তার হন ওই বিধানসভার আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি কাদেরি। তারপর ঘটনার অন্যতম মূল পান্ডা তথা মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে রাজ্যের সিআইডি। পরে এই ঘটনায় একের পর এক গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএ গ্রেপ্তার করে মোথাবাড়ির আইএসএফ নেতা গোলাম রাব্বানিকে। এরপর এনআইএ-র জালে ধরা পড়ে মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরির অনুগামী দুই কংগ্রেস নেতা। তাঁদের মধ্যে একজন ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি আসিফ শেখ এবং অন্যজন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শাহাদাত হোসেন। ফলে ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২। এবার তৃণমূল সভাপতি-সহ দু'জনের গ্রেপ্তারের পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৪-তে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement