shono
Advertisement
China

বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ! চিনের ২ প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল জিনপিং প্রশাসন

ওই দুই শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি ছিল বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। এই ঘটনা সামনে আসতেই চিনের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:19 PM May 09, 2026Updated: 10:28 PM May 09, 2026

দুই প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল চিনের শি জিনপিং প্রশাসন। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ওই দুই শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি ছিল বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। এই ঘটনা সামনে আসতেই চিনের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতো উচ্চ পদে থাকা কোনও আধিকারিককে মৃত্যুদণ্ডের দেওয়ার ঘটনা চিনের ইতিহাসে এই প্রথম।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার চিনের এক আদালত প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফুকে দুর্নীতির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আদালতের এই রায় চিনের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই পদক্ষেপকে প্রথমে দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখানো হলেও। পরে তার সঙ্গে যুক্ত হয় বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবেই গোটা ঘটনায় ব্যাপক রহস্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তবে কি কমিউনিস্ট চিনের ক্ষমতার অলিন্দে বিরাট রাজনৈতিক সংঘাত শুরু হয়েছিল? চক্রান্ত চলছিল প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ক্ষমতা থেকে সরানোর?

গত বৃহস্পতিবার চিনের এক আদালত প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফুকে দুর্নীতির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আদালতের এই রায় চিনের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ওয়েই ফেংহে। তারপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল লি শাংফুকে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁর হাত থেকে দায়িত্ব কেড়ে নিন জিনপিং। একই বছরে দুই শীর্ষ আধিকারিককে বহিষ্কারের ঘটনায় শুরু হয় জল্পনা। অবশেষে এই দুই শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যুদণ্ডে চিনের সরকারি সংবাদপত্র 'পিএলএ ডেইলি' লিখেছে, এই পদক্ষেপ শাস্তি সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের জন্য বড় বার্তা। এই ঘটনার পর আরও কোনও সামরিক কর্তা 'বিশ্বাসঘাতকতা'র সাহস দেখাবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই 'বিশ্বাসঘাতকতা'র অভিযোগ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে চিন প্রশাসনের অলিন্দে। যদিও এই বিষয়ে বিশদে কিছুই জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, চিনে সেনাবাহিনীর উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ কায়েম রাখার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চালাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই পরিস্থিতিতে শীর্ষ সামরিক কর্তাদের বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপকে ক্ষমতার উপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। অবশ্য চিনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সেনাবাহিনী সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তথ্যই প্রকাশ্যে আনা হয় না। এখানেও ঠিক কী কারণে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement