এই সপ্তাহেই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। আর সপ্তাহ শুরু হতে না হতেই অ্যাকশন মুডে পুলিশ! প্রথম দফার নির্বাচনের ৩ দিন আগে রাতারাতি শুরু হয়ে গেল পুলিশের ধরপাকড়। এক রাতের মধ্যে পুলিশের জালে শতাধিক। ৪ জেলা থেকে ১৩৫ জন দাগি অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার থেকে নজিরবিহীন গ্রেফতারি।
ভোটের আগে দাগি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। থানা ধরে ধরে দাগিদের চিহ্নিত করতে হবে। কমিশনের নির্দেশের পরেই অভিযানে নেমে পড়ে পুলিশ। ভোটের আগে জেলায় জেলায় চলে টহল। একেবারে রাতারাতি পুলিশের জালে ওঠে ১৩৫ জন দাগি অপরাধী। কমিশনের নির্দেশের পরেই পুলিশের ধরপাকড় বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে দফায় দফায় চলছে কমিশনের বৈঠক। গত শনিবার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সূত্রের খবর, সেই বৈঠক থেকেই পুলিশকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। ভোটের দিন যে কোনও অশান্তি ঘটনার দেখলেই, তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে ওসিদের সাসপেন্ড করা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিশন প্রশ্ন তোলে, আগের নির্বাচনে যাদের বিরুদ্ধে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ রয়েছে, তাদের কেন গ্রেফতার করা হয়নি এখনও? এবার দাগি আপরাধীদের পাকড়াও করতে সক্রিয় পুলিশ।
ভোটের দিন সকাল থেকে পুলিশের কী ভূমিকা থাকবে, সেই নির্দেশও বাতলে দিয়েছে কমিশন। বুথ জ্যাম বা ভোটে যে কোনওরকম বিশৃঙ্খলার দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি, এসডিপিও-দেরই। এমনই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। প্রথম দফায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ। এদিকে ভোটের আগেই রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্তে পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
