ভোটের (Bengal Election 2026) ডিউটি করতে এসে মৃত্যু হল কেন্দ্রীয়বাহিনীর এক জওয়ানের। রবিবার গভীর রাতে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই জওয়ানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে কীভাবে মৃত্যু তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ময়নাতদন্তের জন্যেও পাঠানো হয়েছে দেহ। সেই রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের আধিকারিকরা।
পুলিশ ও মেডিক্যাল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৃত ওই সিআরপিএফ জওয়ানের নাম সুরেশ কুমার (৩০)। ছত্রিশগড়ের ফরিয়াবাদ থানার মদনপুর গ্রামের বাসিন্দা৷ তিনি সিআরপিএফের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। রবিবার রাতে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভর্তি করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রুদ্রদেব গুপ্তা বলেন, ''মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত হবে আজ।''
মৃত ওই সিআরপিএফ জওয়ানের নাম সুরেশ কুমার (৩০)। ছত্রিশগড়ের ফরিয়াবাদ থানার মদনপুর গ্রামের বাসিন্দা৷ তিনি সিআরপিএফের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। রবিবার রাতে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভর্তি করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর।
বলে রাখা প্রয়োজন, সিআরপিএফ সূত্রে জানা যায়, দিন দশেক আগে রায়গঞ্জ থানার কর্ণজোড়া ফাঁড়ির বামাহা হাইস্কুলে এসেছিলেন বছর ৩০ এর সুরেশ কুমার। মূলত বাংলার ভোটের নিরাপত্তার কাজেই এসেছিলেন তিনি। কর্ণজোড়া ফাঁড়ির অধীনে ছিলেন ওই জওয়ান। ভোটের (Bengal Election 2026) ডিউটিতে জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, ''ভোটের ডিউটি করতে এসে একজন সিআরপিএফের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।''
