ভোটের দিন অশান্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়। ভারচুয়াল বৈঠকে সেই কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। ভোটের (West Bengal Assembly Election) দিন কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নিতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি হলেই ওসিদের সাসপেন্ড করা হতে পারে বলেও সতর্ক করে দেয় নির্বাচন কমিশন।
সিইও মনোজ জানান, ভোটের দিন কোনও এলাকায় কোনও অস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার হলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলেই কড়া পদক্ষেপ করবে কমিশন। এছাড়াও গত ভোটের অশান্তিতে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের এখন পর্যন্ত কেন গ্রেপ্তার করা যায়নি? সেই নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। জেলায় জেলায় দাগী অপরাধীদের চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেন তিনি। যাদের বিরুদ্ধে আগেই হিংসার মামলা রয়েছে, ভোটে যাতে তারা নতুন করে অশান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে কড়া নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। হাতে মাত্র ৫ দিন। এই আবহেই প্রথম দফার আসন ধরে ধরে পুলিশকে খুঁটিনাটি পাঠ দিতে ভারচুয়াল বৈঠক করে কমিশন। শনিবার ১৬ জেলার এসপি, সিপিদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, ভোটের অশান্তির এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে পুলিশকে। প্রসঙ্গত, প্রথম দফা ভোটে ৪০ হাজারেরও বেশি রাজ্য পুলিশকে নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে প্রতিটি বুথেই কড়া নজর রাখবে কমিশনের সিসি ক্যামেরা। কিন্তু ভোটের দিন কী ভূমিকা থাকবে পুলিশের? আসন ধরে ধরে সেই সব নির্দেশ বাতলে দিতেই আজকের বৈঠক। কমিশনের ভারচুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ জেলার এসপি,সিপিরা। উপস্থিত ছিলেন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ অবজারভাররাও।
