নির্বাচনে কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। সমস্ত ভোটকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে। আজ রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। আর সেখানেই শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর প্রশ্নে এহেন কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। শুধু তাই নয়, গত ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার জায়গায় কোন কোন ওসি এবং তাঁর ঊর্ধ্বতন অফিসাররা ছিলেন, সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের তালিকাও তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে 'ভোট লুট' রুখতেও একাধিক পদক্ষেপের কথা এদিন জানানো হয়েছে।
নির্বাচনে কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। সমস্ত ভোটকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে। আজ রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। আর সেখানেই শান্তিপুর্ণ ভোট করানোর প্রশ্নে এহেন কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে, তা নিয়ে জনমানসে কৌতূহলের শেষ ছিল না। অবশেষে আজ রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির সঙ্গেই এদিন বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলায় এবার দু’দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল। দু'দফার ভোট শেষ হবে ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে। আর এই দু'দফায় ২৬ এর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের কাছে।
যদিও বঙ্গে এসে গত কয়েকদিন আগেই জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যে কোনও মূল্যেই এবারের ভোট হবে শান্তিপূর্ণ। এদিন ফের একইবার্তা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের মুখে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনের কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। এমনকী হিংসায় যুক্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও এদিন জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এক্ষেত্রে সমস্ত ভোটকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন এদিন তিনি।
শুধু তাই নয়, ভুয়ো তথ্য এবং ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কমিশন এবার বিশেষভাবে সতর্ক। জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, নোডাল অফিসাররা এই বিষয়ে নজর রাখবেন। ভুয়ো তথ্য সমাজমাধ্যম থেকে মুছে ফেলা, ভিডিও সরানো-সহ একাধিক পদক্ষেপ নোডাল অফিসাররা নেবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। পাশাপাশি এফআইআর রুজুর বিষয়ে পদক্ষেপ তাঁরা করবেন বলেও জানানো হয়েছে। অন্যদিকে 'ভোটলুট' ঠেকাতেও একাধিক দাওয়াই দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। যেমন, ভোটের দিন প্রত্যেক দু'ঘন্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি ভিভিপ্যাটের সঙ্গে ইভিএমের তথ্যে কোনও যদি গরমিল দেখা যায়, তাহলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। আর তা পুরোটাই কাউন্টিং এজেন্টের সামনে করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, ভোট গণনার পর কোনও পরাজিত প্রার্থী যদি মনে করেন তাহলে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। আর এজন্য সাতদিনের মধ্যে আবেদন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
