ভোটবঙ্গে একের পর এক অস্ত্র উদ্ধার। বিহার সহ ভিনরাজ্য থেকে অস্ত্র, মাদক পাচারের অভিযোগে কার্যত সিলমোহর দিয়ে বাংলার মানুষকে সাবধান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে জনতার উদ্দেশে মমতা বলেন, "বাইরে থেকে ড্রাগ, অস্ত্র নিয়ে আসছে...টেক কেয়ার।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, "বাইরে থেকে ড্রাগ, অস্ত্র নিয়ে আসছে। বাড়ি থেকে বেরনোর আগে, পৌঁছনোর পর টেক কেয়ার। কখন কাকে গ্রেফতার করবে, সব নির্দেশ দিয়েছে।"
বাংলায় সুষ্ঠুভাবে ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক খোলনলচে বদলে ফেলতে একের পর এক সিদ্ধান্ত। ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেও জেলায় জেলায় টহলদারি জারি। তারপরেও রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম করতে কারা ইন্ধন জোগাচ্ছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, "বাইরে থেকে ড্রাগ, অস্ত্র নিয়ে আসছে। বাড়ি থেকে বেরনোর আগে, পৌঁছনোর পর টেক কেয়ার। কখন কাকে গ্রেফতার করবে, সব নির্দেশ দিয়েছে।"
বিজেপিকে বিঁধে তৃণমূলনেত্রীর হুঁশিয়ারি, “কূটকচালি, ছলনা যদি করো, আমাদেরও বিছুটিপাতা আছে। আমরা বিছুটিপাতা সাপ্লাই করে দেব।”
নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণের পাশাপাশি 'বার্নল' প্রসঙ্গ টেনে কমিশনকেও একহাত নেন মমতা। তিনি আরও বলেন, "আবার একটা ইনস্ট্রাকশন দিয়েছিল, গরমে পুড়লে বার্নল লাগিয়ে দেবে। মানেটা কী! গরমে পুড়লে তো কেউ বার্নল লাগিয়ে দেয় না। বার্নল লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেবে সব। জ্বলে গেলে তখন বার্নল দেবে। লজ্জাও করে না! এই ভাবে ভোট হয়? কোনওদিন হয় না। হিম্মত থাকলে সামনাসামনি এসে লড়ো।" বিজেপিকে বিঁধে তৃণমূলনেত্রীর হুঁশিয়ারি, "কূটকচালি, ছলনা যদি করো, আমাদেরও বিছুটিপাতা আছে। আমরা বিছুটিপাতা সাপ্লাই করে দেব।" এদিন জনসংখ্যা পুনর্বিন্যাসের নামে এনআরসি করার অভিযোগেও সুর চড়ান মমতা।
ভোটের বাংলায় আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক উদ্ধার যেন চেনা ছবি। গত কয়েকদিন ভিনরাজ্য থেকে আসা এমন একাধিক পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরেছে পুলিশ। কিন্তু এই অস্ত্র, ড্রাগের নেপথ্যে কাদের মাস্টারমাইন্ড? বাংলায় নির্বাচনের আগেই হিংসার প্লট তৈরি করার চেষ্টা বরদাস্ত নয় বলেই সাফ জানিয়ে দেন মমতা। অন্যের কার্মকাণ্ডের দোষ তৃণমূলের উপর চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না বলে এদিন হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
